ছবিঃ সিএনআই
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বুল্লেডেবা আশ্রয়ণ কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় সরকারি পাহাড়ি জায়গা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, জায়গাটি বিক্রির পর সেখানে পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবদুল হামিদের ছেলে মো. ফারুক ছদাহা ইউনিয়নের খন্দকারখীল পাড়া এলাকার আলী হোসেনের ছেলে আমির হোসেনের কাছ থেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে প্রায় ১২ শতক পাহাড়ি জায়গা টি ২ লাখ ১০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মো. ফারুক বলেন, “আমি সাক্ষীদের উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে টাকা দিয়ে জায়গাটি কিনেছি। বর্তমানে সেখানে ঘর নির্মাণ করছি।”
পাহাড়ি বা সরকারি খাস জমি কেনাবেচার আইনগত বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি আমির হোসেনের কাছ থেকে ঘর তৈরির জন্য জায়গাটি কিনেছি।”
সরেজমিনে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট স্থানে পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড়ের একটি অংশ ইতোমধ্যে কেটে সমতল করা হয়েছে এবং সেখানে বসতঘর নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে।
অভিযোগের বিষয়ে আমির হোসেন বলেন, “আমি অন্য সাধারণ মানুষের মতোই জায়গাটি বিক্রি করেছি। সবাই যেভাবে বিক্রি করছে, আমিও সেভাবেই বিক্রি করেছি।”
তবে পাহাড়ি খাস বা সরকারি জমি বিক্রির কোনো আইনগত সুযোগ রয়েছে কি না এবং এ বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, “আমির হোসেন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সরকারি পাহাড় বিক্রি করছেন। এ কাজে বন বিভাগের কিছু অসাধু ব্যক্তিরও সম্পৃক্ততা রয়েছে।”
পরিবেশ ও বন বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মতে, পাহাড় কাটা ও পাহাড়ি খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। এতে ভূমিধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।
স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের একজন প্রতিনিধি বলেন, “পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণের প্রবণতা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে ভূমিধস ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়বে। সরকারি জমি ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি বা দখলের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। প্রশাসনের উচিত দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।”
এ বিষয়ে পদুয়া রেঞ্জের ফরেস্ট রেঞ্জার কর্মকর্তা মো. রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “পাহাড়ি বা সরকারি জমি বিক্রির কোনো আইনগত সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের আগদিয়া গ্র...
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়...
গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভা...
গাজীপুর প্রতিনিধি : এক সময়ের প্রাণবন্ত ও মেধাবী স্কুলছাত্রী ...

মন্তব্য (০)