• সমগ্র বাংলা

রংপুরের বাজারে দামের ওঠানামা-ডিম বাড়তি, মুরগি কমতি

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

রংপুর ব্যুরো : রংপুর নগরীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে দেখা গেছে মিশ্র প্রবণতা। ডিমের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও সব ধরনের মুরগির দামে মিলেছে স্বস্তি। পাশাপাশি কিছু সবজির দাম বেড়েছে, আবার অনেকগুলোর দাম কমেছে।চাল-ডালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। খুচরা বাজারে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি হালিতে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। 

অন্যদিকে মুরগির বাজারে এসেছে কিছুটা স্বস্তি। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়। পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩৮০-৩৯০ টাকা থেকে কমে ৩৪০-৩৫০, পাকিস্তানি হাইব্রিড ৩৫০-৩৬০ থেকে কমে ৩২০-৩৩০ এবং পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।দেশি মুরগির দাম কিছুটা বেশি থাকলেও তা স্থিতিশীল রয়েছে-৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি।মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

নগরীর কামাল কাছনা বাজারের ডিম বিক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, “ডিমের বাজার পুরোপুরি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়ে, আর সরবরাহ বেশি হলে কমে।”

অন্যদিকে মুরগি বিক্রেতা বাবুল মিয়া ও আলমগীর হোসেন জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে মুরগির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

সবজির বাজারে দেখা গেছে মিশ্র চিত্র। টমেটো আগের মতোই ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে গাজরের দাম বেড়ে ৫০-৬০ টাকায় উঠেছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০-৪০ টাকা। সজনে ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৯০-১০০ টাকা।

অন্যদিকে বেশ কিছু সবজির দামে কমতি এসেছে। ঝিংগা ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০, চালকুমড়া ৫০-৬০ থেকে কমে ৩৫-৪০, পটল ৭০-৮০ থেকে কমে ৫০-৬০ এবং ঢেঁড়শ ৬০-৭০ থেকে কমে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বরবটি, করলা, লাউ ও ধনেপাতার দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

কাঁচা মরিচের দামও কমে এসেছে-৫০-৬০ টাকা থেকে নেমে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

মসলার বাজারেও কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। দেশি আদা ১৬০-১৮০ টাকা থেকে কমে ১৫০-১৬০ টাকায় নেমেছে। আমদানি করা আদা ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ২৫০-২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শাপলা বাজারের সবজি বিক্রেতা নরুল ইসলাম বলেন, “বাজারে এখন কিছু সবজির সরবরাহ বেড়েছে, তাই দাম কমেছে। তবে যেগুলোর সরবরাহ কম, সেগুলোর দাম বাড়তি।”
 
সিটি বাজার করতে আসা শফিকুল ইসলাম,সাজু মিয়া জানান বাজার করতে আসলে পকেটে টাকা থাকেনা।সব কিছুর দাম বেশি,তবে নতুন সরকার এই ব্যবস্থা গ্রহন না করলে আরও দাম বৃদ্ধি পেতে পারে।

রংপুরের বাজারে বর্তমানে দামের এই ওঠানামা মূলত সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করছে। তবে মুরগির দামে স্বস্তি মিললেও ডিমের দাম বৃদ্ধি ক্রেতাদের কিছুটা চাপের মুখে ফেলেছে।

এ বিষয়ে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন নিয়মিত তদারকি করছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক নজর রাখা হচ্ছে।

 

মন্তব্য (০)





image

১৭ বছর পলাতক খুনি ধরা, কালীগঞ্জে পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ২

গাজীপুর প্রতিনিধি : দীর্ঘ ১৭ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে আইনের...

image

পাবনায় ছাত্রশিবির-ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ: গুলি...

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে ছাত্রশিবির ও ছ...

image

লালমনিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ইভেন্ট বিষয়ক মতবিনিময় ...

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:: ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা -এ...

image

চাটমোহরে ফসলি জমির মাটি বিক্রির সাথে জড়িত চক্রের ৫ ব্যক্ত...

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে অবৈধ...

image

ঈশ্বরগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন, র‍্যালি ও আলোচ...

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের...

  • company_logo