• সমগ্র বাংলা

কমিটি অনুমোদনের ৪ ঘণ্টার মাথায় পদত্যাগ করলেন এনসিপি নেতা

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সংগৃহীত

সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের চার ঘণ্টার মাথায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবগঠিত নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার দিদারুল আলম। 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টা ২৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এনসিপির নোয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজী মাঈন উদ্দীন তানভীর ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরে ২৩ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

এতে আবদুল মান্নানকে আহ্বায়ক, খন্দকার দিদারুল আলমকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মোহাম্মদ ফারুককে সদস্য সচিব করা হয়।

কমিটি অনুমোদনের পর রাত ১১টা ২৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন খন্দকার দিদারুল আলম।

খন্দকার দিদারুল আলমের দাবি, সুবর্ণচরে এনসিপির কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে থেকেই তিনি মাঠপর্যায়ে সংগঠক হিসেবে কাজ করে আসছেন। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনে যুক্ত হওয়া ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। তার অভিযোগ, জেলা পর্যায়ের নেতারা অনৈতিক ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন করেছেন। এ বিষয়ে আগে থেকে তাকে কিছু জানানো হয়নি।

তবে দিদারুল আলমের অভিযোগ অস্বীকার করে এনসিপির নোয়াখালী জেলা আহ্বায়ক কাজী মাইনুদ্দিন তানভীর জানান, উপজেলা সংগঠকদের কাছ থেকে তালিকা চাওয়া হয়েছিল। পদপ্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহের পাশাপাশি সাক্ষাৎকারও নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, খন্দকার দিদারুল আলম সাক্ষাৎকার দেননি এবং তার জীবনবৃত্তান্তও জমা দেননি। তবে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অব্যাহতির ঘোষণা দিলেও জেলা কমিটির কাছে দিদারুল আলমের কোনো আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র পৌঁছায়নি। ফলে এ বিষয়ে জেলা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানে না বলে জানান জেলা এনসিপির আহ্বায়ক।

এদিকে নবগঠিত সুবর্ণচর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা স্থানীয়ভাবে সবার সঙ্গে আলোচনা করে জেলা কমিটির কাছে তালিকা পাঠিয়েছিলাম। জেলা কমিটি যাকে যোগ্য মনে করেছে, তাকেই আহ্বায়ক করেছে। এ নিয়ে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই।

দিদারুল আলমের পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে আব্দুল মান্নান আরও দাবি করেন, দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে জেলা কমিটির কাছে কিছু লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ থাকায় তাকে আহ্বায়ক করা হয়নি। এরপরও আমাদের অনুরোধে তাকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এখন তিনি পদত্যাগ করতে চাইলে তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না।

মন্তব্য (০)





  • company_logo