ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : রংপুর নগরীতে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গ্রেফতার দুই অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট তদন্তকারী সংস্থার হাতে পৌঁছেছে। ওই বাড়ির বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা রক্তের দাগ ও অন্যান্য আলামতের সঙ্গে গ্রেফতার দুজনের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের দায়ে গ্রেফতার অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের রক্তের নমুনা এবং ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরবর্তীতে রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর জিন্নাত আলী পরীক্ষার জন্য গত ২৯ সেপ্টেম্বর সেগুলো ঢাকায় সিআইডির প্রধান কার্যালয়ের ফরেনসিক ল্যাবে পাঠান।
সেখানে নিখুঁত রাসায়নিক ও ডিএনএ পরীক্ষার পর তৈরি করা চূড়ান্ত রিপোর্টটি বৃহস্পতিবার রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের কাছে এসে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাতে রংপুর নগরীর কামালকাছনা দাসপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫৫), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের (১১) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এ ঘটনায় ২৩ আগস্ট ভোরে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুজনকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে মামলাটির বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা করছে রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশ।
একই পরিবারের চার সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার এ ঘটনায় দেশ-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তোলেন বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আইন বিষয়ক সম্পাদক সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জয়া ভট্টাচার্য এবং রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ।
শুরু থেকেই ডিবি পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি ও খুনের কারণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানামুখী আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। তবে এই ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে আসামিদের সরাসরি উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা অকাট্যভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তী জানান, ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের ডিএনএর মিল পাওয়ায় মামলায় অকাট্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ যুক্ত হলো। এর বাইরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কারও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ কিংবা সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, তা মামলার চূড়ান্ত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।
ফরিদপুর প্রতিনিধি : যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে অমানবিক নির্যাতন...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: “অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর”&mdash...
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহে স্বর্ণের নেকলেস দেওয়ার প্রলোভন...
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত দ...
নড়াইল প্রতিনিধি : পাকা সড়কের পাশে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর।...

মন্তব্য (০)