• সমগ্র বাংলা

পাবনায় খায়রুল গ্রুপের উদ্যোগে ইসলামিক জিনিয়াস ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার ঈশ্বরদীতে খায়রুল গ্রুপের উদ্যোগে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইসলামিক জিনিয়াস ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) দিনব্যাপী ঈশ্বরদীর স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টে এই প্রতিযোগিতা হয়।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক জিনিয়াস ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১০টি মাদ্রাসার ১৬০ জন প্রতিযোগি অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে বিজয়ী ২৫ জনকে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক ছিলেন হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের সভাপতি শায়েখ হাফেজ ক্বারী আব্দুল হক। সহযোগূ বিচারক ছিলেন ফরিদপুরের মারকাযুল নূর ক্যাডেট মাদ্রাসার পরিচালক শায়েখ বেলাল হোসাইন মাদানী, হাফেজ মাওলানা আবু তালহা ও হাফেজ মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. খাইরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মুফতী আল আমিন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন. আঞ্চলিক কৃষি ও ডাল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোখলেছুর রহমান, সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান, ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার, ঈশ্বরদী থানার ওসি মোঃ মমিনুজ্জামান সহ অনেকে।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের মাধ্যমে এমন ধর্মীয় সংস্কৃতি চর্চা বা শিশু শিক্ষার্থীদের এমন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে রাখার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। খায়রুল গ্রুপের এমন আয়োজনের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের জন্য এ রকম কর্মসূচির সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। এ ধরনের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে বলেও জানান তিনি।’

খায়রুল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুনেম তাজওয়ার অহিন বলেন, ‘বর্তমানে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অনেকটা পিছিয়ে আছে। জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন নানারকম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য সেরকম আয়োজন সচরাচর দেখা যায় না। তাই আমরা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য এই আয়োজন করে আসছি। আমরা চাই আমাদের মতো অন্যরাও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য এগিয়ে আসুক।’

খায়রুল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একটা জিনিস বুঝি, মানুষের জন্য ভাল কাজ করলে কেউ বাধা দিতে পারে না। মানুষের ভাল কাজের সাথে সহযোগিতা করেন, আরো আগানো যাবে, আরো চেষ্টা করেন মানুষকে ভাল থাকার জন্য। এখানে মাদ্রাসার ছাত্রদের কেউ মুল্যায়ন করে না। আমরা চেষ্টা করছি সর্বোচ্চ মুল্যায়ন করার। এখানে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা যেভাবে মুল্যায়ন পায়, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সেরকম মুল্যায়ন পাবে, আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন।’ 

শেষে মাদ্রাসা ছাত্র, শিক্ষক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সুধীজনের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য (০)





  • company_logo