ছবিঃ সিএনআই
ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে একই স্থানে বিএনপির দুই গ্রুপ আগামীকাল শুক্রবার পৃথক সভার ঘোষণা দেয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, ২৮ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল আড়াইটায় উপজেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন স্টীল পট্টি এলাকায় প্রতিবাদ সভা ডেকেছে ফরিদপুর-১ আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু গ্রুপ। সেই একই স্থানে মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে বিকাল তিনটায় জনসভার ডাক দিয়েছে বিএনপির আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলামপন্থী গ্রুপ।
গত ৭ নভেম্বর বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানের দিনে ঘটা সহিংসতার স্মৃতি এখনও তাজা। সেই ঘটনার ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই নতুন কর্মসূচি পরিস্থিতিকে আবারো বিস্ফোরণমুখী করে তুলেছে। ওই দিনের সংঘর্ষে বিএনপির স্থানীয় কার্যালয় ছিল প্রধান হামলার লক্ষ্যবস্তু। অভিযোগ অনুযায়ী, খন্দকার নাসিরুল ইসলামপন্থী গ্রুপ এবং শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু গ্রুপের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়ায়।
ঝুনু গ্রুপের অভিযোগ—খন্দকার নাসিরুল ইসলামপন্থী নেতাকর্মীরা তাদের বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও দলীয় প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। কার্যালয়ের বাইরে থাকা নয়টিরও বেশি মোটরসাইকেলেও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ওই সংঘর্ষে বহু নেতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে ছিলেন ঝুনু গ্রুপের উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও পৌর কাউন্সিলর মিনাজুর রহমান লিপন।
এ অবস্থায় দুই গ্রুপের একই স্থানে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। অনেকে বলছেন, “এটা আর রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়—এটা প্রকাশ্যে শক্তি প্রদর্শন।”
স্থানীয়রা— বিশেষ করে ব্যবসায়ী, সাধারণ পথচারী সবাই আগের সহিংসতার স্মৃতি মনে করে উদ্বিগ্ন। গতবারের আগুন, ধোঁয়া আর পালিয়ে বাঁচার আতঙ্ক কেউই আবার দেখতে চায় না।
বর্তমানে বোয়ালমারীজুড়ে একটাই প্রশ্ন—আগামীকাল শান্তি নাকি নতুন ধ্বংসযজ্ঞ? দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে অনীহা প্রকাশ করায় পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাই বোয়ালমারীর মানুষ এখন তাকিয়ে আছে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের দিকে।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা জানান, আমরা তারেক জিয়ার ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য ৩দিন আগে সময় নির্ধারণ করেছি এবং মাইকিং করে আসছি। কিন্তু হঠাৎ করে ঝনু মিয়া ও তার লোকজন একই স্হানে সভা করার ঘোষণা দিয়েছে।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ঝনু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তার মোবাইল ফোনটি রিসিভ করেন নি।
এ ব্যাপারে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি মাহামুদুল হাসান জানান, ‘বিষয়টি শুনেছি। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঊধ্বর্তনদের বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম...
পাবনা প্রতিনিধিঃ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (ব...
গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জে এক ব্যতিক্রমী আয়োজনে...
নওগাঁ প্রতিনিধি: “বৃক্ষরোপনে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলা...
ফরিদপুর প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ...

মন্তব্য (০)