• সমগ্র বাংলা

নির্মাণাধীন অবস্থাতেই সেতু ঘিরে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীদের রাজত্ব!

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

বগুড়া প্রতিনিধি : সময়সীমার অতিরিক্ত ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি বগুড়ার ফতেহ আলী সেতুর পুন:নির্মাণ কাজ। একদিকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কচ্ছপ গতিতে করা এই নির্মাণকাজে ২ বছর যাবত লাখো মানুষ দুর্ভোগ পোহালেও অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের অবহেলারও। অন্যদিকে উদ্বোধনের আগেই সেতুর উপর থেকে শুরু করে দুই ধারে শুরু হয়েছে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীদের দখল রাজত্ব।


স্থানীয়রা বলছেন গাবতলী, সারিয়াকান্দি, সোনাতলা উপজেলার বাসিন্দাসহ পূর্ব বগুড়ার লাখো মানুষের পারাপারের মাধ্যম এই ফতেহ আলী সেতু। ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পর প্রায় বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সালের ১৫ই মে ফতেহ আলী সেতু পুনর্নির্মাণের কার্যাদেশ পায় মেসার্স জামিল ইকবাল নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

কথা ছিলো দুই পাশে আড়াই মিটার করে ফুটপাতসহ ৬৯ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১২ দশমিক ৩ মিটার প্রস্থ্যের সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে এক বছরের মধ্যেই। কিন্তু সময়সীমার অতিরিক্ত ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কচ্ছপ গতিতেই চলছে নির্মাণ কার্যক্রম।


পারাপারের বিকল্প না থাকায় নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সেতুর উপর দিয়ে হেঁটে চলার অনুমতি দেয়া হলেও দাপিয়ে চলছে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা, ভ্যান, সিএনজিসহ প্রায় সব ধরণের ৩ চাকার বাহন। অন্যদিকে উদ্বোধনের আগেই সেতুর ওপর থেকে শুরু করে দুধারের ফুটপাত দখলে নিয়েছে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা যাতে পথচারীর ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুণ।


ব্রীজটি দিয়ে চলাচল করা চেলোপাড়া নিবাসী আবু সাঈদ ও মানিক মিয়া জানান, বিগত প্রায় তিনটি বছর ব্রিজের নির্মাণ কাজ হওয়াই একদিকে যেমন বেড়েছে তাদের ভোগান্তি অন্যদিকে বেড়েছে তাদের যাতায়াত ব্যয়। এক বছরের মধ্যে ব্রিজের পুন:নির্মাণ কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও তা চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। দ্রুততম সময়ে ব্রীজটি উদ্বোধনের দাবি জানান তারা।


এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা মেলে এখনো বাকি সেতুর ফুটপাত, রেলিং, অ্যাপ্রোচসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ। অথচ জীবনের তাগিদে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই সেতু পারাপার করতে হচ্ছে লাখো মানুষের।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বগুড়া পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র পরিমল চন্দ্র দাস ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এই ধীরগতির কাজের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকেউ দায়ী করেন। তিনি বলেন, এই ব্রীজটি শুধু কোন অবকাঠামো নয় এটি লাখো মানুষের পারাপারের মাধ্যমের পাশাপাশি জীবিকার একটি অংশ। ব্রীজটি নির্মাণাধীন থাকাই প্রভাব পড়েছে পূর্ব বগুড়ার মানুষের অর্থনৈতিক জীবনেও। একদিকে সাধারণ মানুষের যেমন বেড়েছে যাতায়াত ব্যয় অন্যদিকে ছোট ছোট দোকানীদের কমেছে ক্রেতা সংখ্যা। আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও যদিও ইতিমধ্যেই সেতুটি মানুষের পায়ে চলাচলের খুলে দেয়া হয়েছে তারপরেও সেতুর অবশিষ্ট কাজগুলো দ্রুততম সময়ে শেষ করার আহ্বান জানান তিনি।


এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সড়ক বিভাগ বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ জানান, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা এবং মাটির নিচের পাথরের লেয়ার ভেদে সেতুর পুন:নির্মাণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লেগেছে। তবে সেতুর মূল অবকাঠামোর কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত করা হবে।

মন্তব্য (০)





image

দিনাজপুরের রুদ্রাণী সীমান্তে ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের যৌন উত...

১

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের রুদ্রাণী সীমান্তে ৮৩ হাজ...

image

বগুড়ায় ‎প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় আ. লীগ নেতা মা...

২

বগুড়া প্রতিনিধি : ‎কারাবন্দী হওয়ার প্রায় ১৬ মাস পর ...

image

পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

৩

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’&...

image

পঞ্চগড়ে অবসরপ্রাপ্ত তিন মউশিক শিক্ষক ও দুই কেয়ারটেকারকে ...

৪

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক ...

image

বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানীর ব্যবস্থা করলেন যুবদল সম...

৫

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শি...

  • company_logo