ছবিঃ সিএনআই
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল সদর উপজেলায় খোলাবাজারে খাদ্যশস্য বিক্রির (ওএমএস) চাল-আটা বিতরণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্ট ডিলারের দাবি, গ্রামের কয়েকজন নির্ধারিত চাহিদার চেয়ে বেশি চাল-আটা নিতে চান। তাঁদের অতিরিক্ত চাল-আটা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করা হচ্ছে।
নড়াইল পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলার আরিফুল বিশ্বাস বলেন, তাঁর কাছে চাল-আটা মজুত থাকা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে তা বিতরণ করা হয়। মজুত থাকা অবস্থায় কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। তবে গ্রামের কয়েকজন প্রতিদিন ১০ কেজি করে চাল-আটা দাবি করেন। তাঁদের চাহিদামতো অতিরিক্ত চাল-আটা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওএমএস কার্যক্রমের আওতায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হয়। নড়াইল সদর উপজেলায় প্রতিদিন ৬৫০ কেজি চাল ও ৬০০ কেজি আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব খাদ্যশস্য ১৩০ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে বিতরণের কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা খন্দকার তাজউদ্দীন বলেন, এ পর্যন্ত তিনি লিখিত বা মৌখিক কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের লাইসেন্স বাতিল ও জরিমানাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, কয়েকজন সুবিধাভোগীরা জানান, তাঁরা চাল-আটা নিতে এসে কখনো খালি হাতে ফিরে যাননি। আমরা ইউনিয়ন থেকে আসি তারপরও আমাদের ফেরত দেয়নি। তবে বরাদ্দ বাড়ানো হলে আরও বেশি মানুষ এ সুবিধা পাবেন বলে মনে করেন তাঁরা।
ওএমএস কার্যক্রমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে নির্ধারিত বরাদ্দের খাদ্যশস্য পৌঁছানো এবং বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গাজীপুর প্রতিনিধি : মায়ের প্রতি টান, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অভিমান আর ছো...
লালমনিরহাট প্রতিনিধি: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব কল্যাণ...
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় স্ট্রেনদেনিং রোড সেফটি অ্যাক্ট অ্যা...
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বল...
গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাসাই...

মন্তব্য (০)