ছবিঃ সিএনআই
ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর জেলা শহর থেকে শুরু করে উপজেলাগুলোর প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাদকের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। র্যাব, পুলিশ, যৌথ বাহিনী এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযান ও তৎপরতা সত্ত্বেও কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না এই মরণনেশা। বরং প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক কারবারিরা তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেই চলেছে।
মাদকের বলি হচ্ছে প্রাণ
মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে অপরাধের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত এক সপ্তাহেই জেলায় মাদকের দ্বন্দ্বে দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায়ই এ ধরনের সহিংসতা ও খুনের ঘটনা ঘটছে, যা সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
সদরপুরে মাদকের অভয়ারণ্য
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মাদকের বিস্তার সবচেয়ে বেশি। এলাকার চিহ্নিত কয়েকজন মাদক সম্রাট সিন্ডিকেট করে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার মাদক কেনাবেচা করছে। অনুসন্ধানে উঠে আসা উল্লেখযোগ্য নামগুলো হলো- শ্যামপুর গ্রামের কোকেন ফারুক, বাকপুরা গ্রামের রুবেল, প্রানপুরের দাদন ও বাবু চরের মহসিন।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় থাকার কারণেই এই কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
প্রশাসনের বক্তব্য ও অভিযোগ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মাদক কারবারিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৪ থেকে ৫টি করে মামলা চলমান রয়েছে। মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত আছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে এই অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিল্লাল নামে এক কর্মকর্তার সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের গোপন যোগসাজশ থাকতে পারে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে বিল্লাল একে সম্পূর্ণ 'মিথ্যা ও ভিত্তিহীন' বলে দাবি করেছেন।
লালমনিরহাট প্রতিনিধি :পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে নারীর টান...
নিউজ ডেস্ক : আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়া...
লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার টেপ...
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নে...
রংপুর ব্যুরো : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রংপুরে সার্বিক...

মন্তব্য (০)