• লিড নিউজ
  • জাতীয়

‎বাংলাদেশকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় কানাডা

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশকে শুধু বাণিজ্যের গন্তব্য নয়, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় কানাডা। বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং বলেছেন, বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বে বাংলাদেশ ও কানাডার মতো দেশগুলোর নিজেদের সিদ্ধান্ত নেয়ার সক্ষমতা রয়েছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় আরও বেশি প্রভাব রাখতে পারে।
‎
‎আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬ ’-এর তৃতীয় দিনের অধিবেশনে ‘দ্য ডিপ্লোমেটিক লেন্স’ শীর্ষক সেশনে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‎
‎অজিত সিং বলেন, ‘বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্ব শুধু বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশ ও কানাডার মতো দেশগুলোর জন্য নতুন সম্পর্ক, জোট ও সহযোগিতার সুযোগও তৈরি করছে। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অর্থ বিচ্ছিন্নতা নয়। বরং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও সরবরাহব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনার মাধ্যমে একটি দেশের সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়ে।’
‎
‎তিনি বলেন, ‘খাদ্য ও জ্বালানির নিরাপদ সরবরাহ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার, নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো, দক্ষ মানবসম্পদ এবং স্থিতিশীল সরবরাহব্যবস্থা এখন একটি দেশের সার্বভৌমত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনো দেশ এককভাবে এসব চাহিদা পূরণ করতে পারে না। তাই অংশীদারত্ব বাড়ানো জরুরি।’
‎
‎বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্কের বিষয়ে কানাডার হাইকমিশনার বলেন, ‘পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথমদিকের স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর একটি কানাডা। দেশটি বাংলাদেশকে ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন কানাডীয় ডলারের বেশি আন্তর্জাতিক সহায়তা দিয়েছে।’
‎
‎তিনি বলেন, ‘এখন দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন সহযোগিতার প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের দিকে এগোচ্ছে। ২০২৫ সালে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৪ বিলিয়ন কানাডীয় ডলারের বেশি হয়েছে।’
‎
‎অজিত সিং বলেন, ‘কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, জ্বালানি, জলবায়ু প্রযুক্তি, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।’
‎
‎কানাডার হাইকমিশনার আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও আর্থিক সংস্কার, মানবাধিকার, শ্রম অধিকার এবং স্বাধীন বিচারব্যবস্থা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি বাংলাদেশ ও কানাডা—উভয় দেশের জন্যই ইতিবাচক হবে।’
‎
‎বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বে কোনো একটি ভূরাজনৈতিক শিবির বেছে নেওয়ার পরিবর্তে নির্দিষ্ট ইস্যুতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, খাদ্যনিরাপত্তা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা সংস্কারের মতো বিষয়ে দেশগুলো আলাদা আলাদা জোট গড়ে তুলতে পারে।
‎
‎অজিত সিং বলেন, ‘বাংলাদেশ, কানাডা ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর স্বার্থেই এমন একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রয়োজন, যেখানে সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইন গুরুত্ব পাবে এবং সব দেশ নিজেদের স্বাধীনতা বজায় রেখে সহযোগিতা করতে পারবে। বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার দর্শক না হয়ে কৌশলগত মধ্যম শক্তিগুলো সম্মিলিতভাবে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নিয়ম নির্ধারণেও ভূমিকা রাখতে পারে।’

মন্তব্য (০)





image

মোটরসাইকেলসহ গাড়ি মালিকদের জন্য সুখবর

১

নিউজ ডেস্ক : মোটরসাইকেলসহ ও গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য সুখবর দ...

image

১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

২

নিউজ ডেস্ক : বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষকদের অবদানে...

image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য স...

৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গ...

image

রাজনৈতিক মামলায় আত্মসমর্পণ করে কারাগারে শ্রমিকদল নেতা মোকলেস

৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধান...

image

ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্যের ...

৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যা...

  • company_logo