• লিড নিউজ
  • আন্তর্জাতিক

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ১০ দেশের মন্ত্রিসভার আকার কেমন

  • Lead News
  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার পরিচালনায় প্রশাসনিক কাঠামো, ভূ-রাজনীতি এবং শাসন ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যায় ব্যাপক বৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয়। 

কোনো কোনো দেশ বিশাল আয়তন ও বিশাল জনসংখ্যার পরও অপেক্ষাকৃত ছোট মন্ত্রিসভা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, আবার কোথাও বড় কিংবা মেগা-মন্ত্রিসভার মাধ্যমে শাসনকাজ পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বৈশ্বিক শাসন সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, সরকারের ধরন—যেমন সংসদীয় বনাম রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা—মন্ত্রিসভার আকারের ক্ষেত্রে অন্যতম ভূমিকা পালন করে।

বিশাল আয়তন ও বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হলেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট শাসিত শাসনব্যবস্থার অধীনে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা মাত্র ২৩ জন। জার্মানির চ্যান্সেলরের অধীনে গঠিত ক্যাবিনেটে মন্ত্রী রয়েছেন ১৭ জন। একইভাবে যুক্তরাজ্যের সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী চালিত ক্যাবিনেটের মন্ত্রী সংখ্যা ২২ জন। 

পূর্ব এশিয়ার পরাশক্তি জাপানে প্রধানমন্ত্রী চালিত মন্ত্রিসভায় ২০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ তুরস্কের (তুর্কিয়ে) প্রেসিডেন্ট শাসিত সরকারে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ১৯ জন। এছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন স্টেট কাউন্সিলের প্রশাসনিক ও নির্বাহী কাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অন্তত ৩৫ জন পূর্ণাঙ্গ সদস্য বা মন্ত্রী-পর্যায়ের কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বড় কলেবরের মন্ত্রিসভা অনুসরণের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ ভারতে প্রধানমন্ত্রীর অধীনস্থ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ মোট সদস্য সংখ্যা ৭২ জন। 

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্টের অধীনে গঠিত বিশাল ক্যাবিনেটে সদস্য সংখ্যা ১০৯ জন, যা আন্তর্জাতিকভাবেও বৃহত্তম মন্ত্রিসভার একটি হিসেবে গণ্য হয়। পাকিস্তানের সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী চালিত মন্ত্রিসভায় ৫৫ জন সদস্য রয়েছেন।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থার অধীনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশাসনিক কাঠামো অনুসৃত হয়। বর্তমানে দেশে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৫৪ জন। 

সার্বিকভাবে দেখা যায়, দেশভেদে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও রাজনৈতিক চাহিদার আলোকে প্রতিটি রাষ্ট্রই নিজ নিজ প্রশাসনিক কলেবর নির্ধারণ করে থাকে।

সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা।

মন্তব্য (০)





image

লোহিত সাগরের আরও দুই কৌশলগত দ্বীপ দখলে নিল হুথিরা

নিউজ ডেস্ক : দক্ষিণ লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরও...

image

চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার নিয়মে আসছে বড় পরিবর্তন

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে যাওয়া আন্তর্জাতিক শি...

image

হরমুজ প্রণালি নিয়ে উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে ইরানের বৈঠক স্থগি...

নিউজ ডেস্ক : ইয়েমেনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে উপসাগরীয় দ...

image

ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশী...

নিউজ ডেস্ক : ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদা...

image

ব্রিকসকে সম্মিলিত সক্ষমতায় রূপ দিতে হবে: পেজেশকিয়ান

নিউজ ডেস্ক : বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলো কোনো দেশের পক্ষে ...

  • company_logo