• সমগ্র বাংলা

নিখোঁজের ২১ দিন পর গৃহশিক্ষিকার বাসা থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার ‎

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ নিখোঁজের ২১ দিন পর কেরানীগঞ্জের কালিন্দী থেকে মা-মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ডায়াবেটিস বাজার এলাকায় গৃহশিক্ষিকার বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। বাড়ির মালিক জানায়, ওই গৃহশিক্ষিকার বাসা থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়ালে পুলিশকে খবর দেন তারা। যদিও, নিহতের স্বামীর দাবি, পুলিশের কাছে বারবার গেলেও সাড়া পাননি তিনি।

‎কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিবাগের গোকপাড়ের বাড়িটিতে গেল ২৫ ডিসেম্বর গৃহশিক্ষিকার বাসায় পড়তে যায় স্কুলশিক্ষার্থী জুবাইদা রহমান ফাতেমা। এরপর আর খোঁজ না মিললে তাকে খুঁজতে যায় ফাতেমার মা রোকেয়া রহমান। একইসঙ্গে নিখোঁজ হন মা-মেয়ে দুজনেই।

‎অবশেষে নিখোঁজের ২১ দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ির ২য় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির মালিকের দাবি, বিগত কয়েক দিন যাবৎ পচা গন্ধ পেলে পুলিশকে খবর দেন তারা। পরে, এসে ফ্ল্যাটের খাটের নিচে ও বাথরুমের ছাদ থেকে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

‎বাড়ির মালিক বলেন, ‘আমার স্ত্রী সিসিটিভি ফুটেজে অস্বাভাবিক আচরণ দেখেছে। দেখে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে ফোন দিয়েছে। আমার স্ত্রী বলে দুইতালায় কোনো ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। তারা গেট খুলছিলো না কান্না-কাটি করছে।’

‎এলাকাবাসীদের একজন জানায়, ‘ঘটনা ঘটার পর তারা ছিলো না। ঘুরতে গিয়েছিলো দুই তিন দিন আগে এসেছে।’

‎নিহতের স্বামীর দাবি, নিখোঁজের পর কয়েকবার এসে তার স্ত্রী ও মেয়েকে খোঁজার চেষ্টা করলেও বাড়ির মালিকের সহযোগিতা পননি তিনি। বারবার পুলিশের দ্বারস্থ হলেও বিষয়টি আমলে নেয়নি পুলিশ- এমন অভিযোগও করেন তিনি।

‎নিহত শিক্ষার্থীর বাবা শাহীন আহম্মেদ বলেন, ‘সন্দেহ থেকেই যখন উনি কোনোভাবে মুখ খুলছেন না তারপরই আমি জিডি করলাম। জিডি করতে গেলে আমাকে চার্জ করেছিলো। আমাদের পারিবারিক কোনো সমস্যা আছে কি না, চলে গেছে, পালিয়ে গেছে, আত্মগোপনে আছে। পুলিশ বলে এমন হলে কীভাবে বের করবো আমরা পুলিশ তো ফেরেশতা নই।’

‎অভিযোগ পাওয়ার পর ভুক্তভোগীদের সন্ধানে চেষ্টা অব্যাহত ছিলে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

‎মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রনি চৌধুরী বলেন, ‘ওই মেয়ের দুই তিনটি ফোন নম্বর ছিলো, আমরা কল লিস্ট নিয়ে আসি। পরে বেলা ১২টা থেকে আমরা কোনো লোকেশন পাইনি। সেই ভাড়াটিয়া বাসা থেকে বেড় হয়েছে আমরা তার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি। কিছু ফুটেজ আমরা পেয়েছি কিন্তু লাস্ট কতদূর পৌঁছেছে তা পাইনি আমরা।’

‎এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত গৃহশিক্ষিকাসহ চারজনকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে জানান কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি।

‎কেরাণীগঞ্জ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন, ‘আমরা ওইটা ধরেই কাজ করছি। এখনো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’

‎চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

মন্তব্য (০)





image

সোনারগাঁয়ে ৭ ডাকাত গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের এশিয়ান হাইওয়...

image

মানব পাচারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি: টেকনাফে কিশোরীর মৃত্যু

কক্সবাজার প্রতিনিধি : টেকনাফে মানব পাচারকে কেন্দ্র করে দুই অ...

image

উলিপুরে এসএসসি-৮৮ ব্যাচের কম্বল বিতরণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে "মানুষ মা...

image

চাটমোহরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া

পাবনা প্রতিনিধি :তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন  দেশনেত্রী বে...

image

ফরিদপুরে ডাকাতির দৌরাত্ম্য বাড়ছে, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে সাম্প্রতিক সময়ে ডাকাতির ঘটনায় সাধারণ মানুষের ম...

  • company_logo