ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহিদের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এই মরদেহগুলো রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিকেল ফরেনসিক টিম তাদের পরিচয় শনাক্ত করেছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নিহত নারী ও পুরুষ শহিদের অজ্ঞাতনামা মরদেহগুলো রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক, অজ্ঞাতনামা শহিদের পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই কাজের তত্ত্বাবধান ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব সিআইডির হাতে দেওয়া হয়।
এ কার্যক্রমের জন্য ফরেনসিক বিজ্ঞানে বিশ্বখ্যাত বিশেষজ্ঞ ড. মরিস টিডবলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি বাংলাদেশে এসে সিআইডির ফরেনসিক ও ডিএনএ টিমকে প্রশিক্ষণ দেন।
মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ ডায়েরি ও তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন অনুযায়ী, আদালতের নির্দেশে ১১৪টি মরদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। এই কার্যক্রমে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. লুইস ফন্ডিব্রিডার সহযোগিতা করেন।
৭ থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে মৃতদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন ও ময়নাতদন্ত করা হয়েছে, পাশাপাশি সিআইডির ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।
এ পর্যন্ত ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে, যার মাধ্যমে ৮ জন শহিদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। বাকি মরদেহের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই উদ্যোগ নিখোঁজ শহিদদের পরিবারগুলোর অনিশ্চয়তা দূর করে এবং ভবিষ্যতের বিচারিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণে সহায়ক হবে বলে জানানো হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক : দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের অংক আবারও বড় আক...
নিউজ ডেস্ক : অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী...
নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের ...
নিউজ ডেস্ক : প্রবাসীদের জন্য একক ডিজিটাল সুবিধা নিশ্চিত করতে...
নিউজ ডেস্ক : ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ পরিব...

মন্তব্য (০)