• সমগ্র বাংলা

বগুড়ায় একই পরিবার থেকে নিখোঁজ সাত সদস্য রাঙামাটি থেকে উদ্ধার

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়া শহরের নারুলী এলাকা থেকে রহস্যজনকভাবে একই পরিবারের  নিখোঁজ সাতজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার রাঙামাটি জেলার সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পাড়া এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। পিবিআই এর দাবি,   পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আয় রোজগার করে নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার উদ্দেশ্য কাউকে না জানিয়ে রাঙামাটি জেলায় চলে গিয়েছিল তারা। 

উদ্ধার সাতজন হলেন- লালমনিরহাটের খোচাবাড়ি এলাকার ফাতেমা বেগম, তার ছেলে বিক্রম আলী, ছোট মেয়ে রুনা খাতুন, বড় মেয়ে রুমি বেগম,  তার নাতনী বৃষ্টি খাতুন এবং যমজ নাতি হাসান ও হোসেন। তবে তারা গত ১০ বছর ধরে বগুড়া শহরের নারুলী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। 

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার পিবিআই কার্যালয়ে ইন্সপেক্টর জাহিদ হোসেন মন্ডল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। 

এর আগে,  গত ৩ জুলাই  কাউকে কিছু না জানিয়ে ফাতেমা বেগম তার ছেলে, মেয়ে,  নাতী ও নাতনীসহ মোট সাতজন  বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। তাদের গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাটে এবং অন্যান্য আত্মীয় স্বজনদের কাছে খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে ফাতেমার স্বামী আব্দুর রহমান বগুড়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। পরে পিবিআই পুলিশ জিডির সূত্র ধরে ছায়া তদন্ত শুরু করে। 

ইন্সপেক্টর জাহিদ জানান, ফাতেমা ও রুমি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায়, তাদের স্বামী বিভিন্ন সময়ে তাদেরকে আয় রোজগার নিয়ে কটু কথা শোনাতো। তাদেরকে স্বাবলম্বী হতেও দিত না। এছাড়াও তাদেরকে মাঝে মধ্যেই মানসিক নির্যাতন চালাতো। এ কারণে তারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সকলের অগোচরে নিজেরা আয় রোজগার করে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা রাঙামাটি জেলার বুড়িরহাট এলাকায় ফাতেমার নানার বাড়ীতে পালিয়ে যায় এবং সেখানে কাজের সন্ধান করতে থাকে। 

তিনি আরও জানান, ফাতেমার পরিবার দরিদ্র। আর ফাতেমা এর আগে অনেকবার রাঙামাটিতে গিয়েছিল। এজন্য সেখানে তার পথঘাট পরিচিত ছিল। এর মধ্যে তিনি সেখানে অনেকের কাজের ব্যবস্থাও করেছিল। রাঙামাটি যাওয়ার পর লালমনিরহাটেও একবার গিয়েছিল ফাতেমা। কিন্তু তাদের স্বামীর নির্যাতনের কারণে তারা কোথায় আছে সেটি গোপন রাখে। আর তাদের মূলত পরিকল্পনাই ছিল রাঙামাটি যেয়ে কাজকর্ম করে সেখানেই স্থানী বাসিন্দা হয়ে বসবাস করার। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে তাদের ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

মন্তব্য (০)





image

পাবনায় পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মীরা

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার বেড়া উপজেলায় যুবলীগ নেতা সোহেল রানাক...

image

দিনাজপুর প্রথম বারের মত প্রকাশ্যে শিয়া সম্প্রদায়ের শোক র...

দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুর প্রথম বারের মত প্রকাশ্যে শোক র...

image

নেশার টাকার জন্য বাবা-মায়ের ওপর নির্যাতন, জুয়েলের ঠিকানা ...

গাজীপুর প্রতিনিধি : একসময় যে বাবা-মায়ের কাছে সন্তানের আবদার ছিল আদরের, স...

image

পাবনায় বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে যুবদলের কর্মীর চোরাই গরুর খা...

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলার কোমরপুর গ্রামে যুবদল কর্...

image

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন করেন এসবি...

বেনাপোল প্রতিনিধি : পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান ও অতির...

  • company_logo