ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ ডায়াবেটিস থাকলে কী খাবেন আর কী খাবেন না এ নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে। বিশেষ করে শুকনো ফল বা ড্রাই ফ্রুটস নিয়ে প্রশ্ন আরও বেশি। পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক ধরনের শুকনো ফল বেছে খেলে এটি খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। তবে শুকনো ফলে পানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় অল্প পরিমাণেই তুলনামূলক বেশি ক্যালরি ও প্রাকৃতিক চিনি পাওয়া যায়। তাই পরিমাণের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।
কতটা শুকনো ফল খাওয়া যেতে পারে?
ডায়াবেটিস থাকলে একসঙ্গে বেশি শুকনো ফল না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো। কিছু বিশেষজ্ঞ ২–৩ টুকরো বা অল্প এক মুঠো পরিমাণ দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দেন। তবে আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা, ওষুধ, দৈনিক খাবারের ধরন ও শারীরিক অবস্থার ওপর উপযুক্ত পরিমাণ নির্ভর করতে পারে।
কোন শুকনো ফল বেছে নিতে পারেন?
আখরোট
আখরোটে ফাইবার ও অসম্পৃক্ত ধরনের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে। এটি পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং খাবারের মাঝখানে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
বাদাম
বাদামে ফাইবার, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে বাদাম খেলে খাবারের সামগ্রিক পুষ্টিমান বাড়ানো যায় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে।
কিশমিশ
কিশমিশে প্রাকৃতিক চিনি ঘনভাবে থাকে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে এটি অল্প পরিমাণে খাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। একসঙ্গে বেশি কিশমিশ খেলে মোট কার্বোহাইড্রেট ও চিনি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে।
শুকনো এপ্রিকট
শুকনো এপ্রিকটে ফাইবার ও বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে। তবে অন্যান্য শুকনো ফলের মতো এটিতেও প্রাকৃতিক চিনি ঘন থাকে, তাই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়া উচিত।
তাজা ফল নাকি শুকনো ফল?
ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে সাধারণত পুরো তাজা ফলকে খাদ্যতালিকায় রাখা সহজ, কারণ এতে পানির পরিমাণ বেশি এবং একই পরিমাণ খাবারে চিনি তুলনামূলক কম ঘন থাকে। শুকনো ফল খেলে ছোট পরিমাণেই বেশি কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ হয়ে যেতে পারে।
তাই শুকনো ফলকে তাজা ফলের বিকল্প হিসেবে বেশি পরিমাণে না খেয়ে পরিমিত একটি অংশ হিসেবে রাখা ভালো।
কেনার সময় সতর্ক থাকুন
সব শুকনো ফল সমান নয়। বাজারের কিছু ড্রাই ফ্রুটসে অতিরিক্ত চিনি, সিরাপ বা অন্যান্য উপাদান যোগ করা থাকতে পারে। তাই সম্ভব হলে চিনি বা সিরাপ ছাড়া শুকনো ফল বেছে নিন এবং প্যাকেটের পুষ্টিগুণের তথ্য দেখে কার্বোহাইড্রেট ও মোট চিনির পরিমাণ যাচাই করুন।
ডায়াবেটিস থাকলেও শুকনো ফল একেবারে নিষিদ্ধ এমন নয়। তবে এটি যেহেতু তুলনামূলকভাবে চিনি ও ক্যালরিতে ঘন, তাই অল্প পরিমাণে, হিসাব করে এবং আপনার সামগ্রিক খাবারের কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে রেখে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি যদি ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, কিংবা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত শুকনো ফল খাওয়ার পরিমাণ ঠিক করার আগে চিকিৎসক বা নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: বাজারে এখন রুপালি ইলিশের ছড়াছড়ি। কিন্...
নিউজ ডেস্ক : ধমনিতে ব্লকেজ বা চর্বি জমে রক্তনালি সরু হয়ে যাওয়া একটি অত্য...
নিউজ ডেস্ক : দাঁতের সবচেয়ে বাইরের ও শক্ত স্তর হলো এনামেল, যা দাঁতের স্বা...
নিউজ ডেস্ক : দিনের শেষভাগে কাজের গতি কমে আসা খুব ...
লাইফস্টাইল ডেস্ক: লিভারের যত্নের কথা উঠলেই অনলাইনে নানা...

মন্তব্য (০)