• সমগ্র বাংলা

মেলান্দহে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার খাবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মস্থল ফাকি, স্লিপের টাকা ও স্কুল ফিডিং বিতরনে অনিয়ম ও শিক্ষার্থী সংকটসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় বিমুখ হচ্ছেন স্থানীয় অভিভাবকরা। কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে ভেঙে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। 

সরেজমিনে খাবুলিয়া  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন শিক্ষক অফিস কক্ষে বসে গল্প করছেন। ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কক্ষে অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থী থাকলেও ৫ম শ্রেণির কক্ষটি ফাঁকাই পড়ে ছিল। 

তবে, দুপুরের দিকে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির ক্লাস চলাকালীন দেখা গেছে, ৩য় শ্রেণির উপস্থিত ছিল ৪ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৩ জন উপস্থিত ছিল, ৫ম শ্রেণিতে একজনও উপস্থিত ছিল না। 

এভাবেই দায়িত্বে অবহেলা ও স্বেচ্ছাচারিতায় চলছে বিদ্যালয়টি। শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতায় শিক্ষার্থী সংকটে ভুগছে প্রতিষ্ঠানটি। কোনো কোনো শ্রেণিতে শিক্ষার্থী থাকার পরও হয় না হাজিরা। তবে এসব ঘটনায় শ্রেণি শিক্ষককে দুষছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম শুধু শিক্ষার পরিবেশকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী শানজিদা আক্তার বলেন, আমরা তিন শ্রেণীর এক রুমে বসেই ক্লাস করি। টিফিনের আগে ক্লাস নেয় মাঝে মাঝে টিফিন দেওয়ার পরেই ছুটি দিয়ে দেয়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন,  শিক্ষকরা ছাত্র- ছাত্রীদের নিয়মিত ক্লাশ নেই না, এজন্য এই বিদ্যালয়ের এই অবস্থা। 

আব্দুল হাই বলেন, খাবুলিয়া  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেলান্দহ উপজেলা থেকে নিয়মিত  পরিদর্শন করতে আসে না, কয়েক দিন পর পর যদি পরিদর্শন আসত তাহলে বিদ্যালয় উন্নত হতো। 

সামিম নামে এক ব্যক্তি বলেন, বিদ্যালয়ে কলা, রুটি, ডিম, দুধ, ছাত্র-ছাত্রীর দেয়ার পর শিক্ষকরা অতিরিক্ত খাবার গুলো ভাগাভাগি করে নিয়ে যায়।

সালমান নামে এক ব্যক্তি  বলেন, বিদ্যালয়ে স্লিপের টাকা প্রধান শিক্ষকের পেটে, শুনেছি বিদ্যালয়ে স্লিপের টাকা দিয়ে কোন কাজ করে নাই। বিদ্যালয়টি ভূতের বাড়ি মত দেখা যায়।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শরিফ উদ্দিন বলেন, আমরা নিয়মিত স্কুলে যাই। আমরা অনিয়ম করি না। স্লিপ ফান্ডের গত অর্থ বছরের টাকা বরাদ্দ ছিলো ৫০হাজার আমাকে দেওয়া হয়েছে অর্ধেক। এই টাকা থেকে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস দেওয়া হয়েছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিন্নাতুল আরা বলেন, ওই স্কুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য (০)





image

ফরিদপুরের সদরপুরে মাদক সেবনের অপরাধে দুই যুবকের ১৫ দিনের ...

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সদরপুরে মাদক সেবন ও এলাকাবাসীর...

image

জুলাই বিপ্লবে শহীদদের স্মরণে দিনাজপুরে ছাত্রদলরে দোয়া ও ...

দিনাজপুর প্রতিনিধি : জুলাই বিপ্লবে সকল শহীদদের আত্মার মাগফির...

image

চলতি অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্র...

বেনাপোল প্রতিনিধি : চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে...

image

স্বাগতম ভিক্ষুকমুক্ত নড়াইল' সাইনবোর্ডের আড়ালে জীবনযুদ্ধের...

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল জেলার প্রবেশমুখে যশোর-অভয়নগরের সীমা...

image

ঈশ্বরগঞ্জে আসামিদের হুমকীতে বাড়ি ছাড়া বাদী পরিবার

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ...

  • company_logo