ছবিঃ সিএনআই
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা গ্রামে কৃষিজমির মাটি খুঁড়ে পাওয়া সাতটি শক্তিশালী ল্যান্ডমাইন অবশেষে এক মাস পর বোমা নিষ্ক্রিয় করায় এলাকায় জনমনে সস্তি ফিরে এসেছে।
আজ ২৮ মার্চ (শনিবার) দুপুর দেড়টায় যশোর ক্যান্টনমেন্ট এর ৫৫ পদাতিক সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের প্রধান ক্যাপ্টেন রিফাত ও ক্যাপ্টেন সেলিম এর নেতৃত্বে ল্যান্ডমাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়। দুইবারে ৭ টি ল্যান্ডম্যাইনের বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা এবং তা নিষ্ক্রিয় করার পর জনমনে ফিরে এসেছে স্বস্তি।
উল্লখ্য গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মাখালডাঙ্গা গ্রামের খালপাড়ার রাশেদুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম খালের পাড় মাঠে তার আড়াই বিঘা জমির পেপে গাছে পানির সেচ দেওয়ার জন্য ক্যানাল করার সময় মাটি খুড়ে পাকিস্তান আমলের ৭ টি ল্যান্ডমাইন খুঁজে পায়। এরপর থেকে পুলিশ সেগুলো১ মাস ধরে পাহারা দিচ্ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এসব ল্যান্ডমাইন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানি বাহিনীর ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল। যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানি বাহিনী যখন বাংলাদেশ ত্যাগ করে, তখন তারা এগুলো মাটিতে পুঁতে রেখে যেতে পারে ধারনা করা হচ্ছে ।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশানার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম জানান, মাখালডাঙ্গা গ্রামের খালের মাঠে পাওয়া ৭ টি শক্তিশালী অবিস্ফোরিত ল্যান্ড মাইন সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এবং এগুলো নিষ্ক্রিয় করার পর জনমনে স্বস্তি ফিরেছে তবে এধরনের কোন বস্তু পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর জন্য সর্তক করা হয়েছে বলে জানান।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে যোগাযোগ করার এক মাস পর আজ ২৮ মার্চ যশোর সেনানিবাসের স্পেশাল ইউনিটের সদস্যরা ৭টি শক্তিশালী ল্যান্ডমাইন নিস্ক্রিয় করে।
এ বিষয়ে স্থানীয় আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ও মাখালডাঙ্গা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেছেন, “ল্যান্ডমাইনগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের। সে সময় বহু পাকিস্তানি সৈন্য মাখালডাঙ্গা গাড়াবাড়িয়া ও দিননাথপুর এলাকায় যুদ্ধ করত। যুদ্ধ শেষে তারা চলে যাওয়ার সময় হয়ত ল্যান্ডমাইনগুলো পুঁতে রেখে গেছে।”
গাইদঘাট গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল ইসলাম জানিয়েছেন, পাকিস্তানি বাহিনী বড় বড় ব্রিজ-কালভার্ট, ট্রাক, ট্যাংক ধ্বংস করতে এসব ল্যান্ডমাইন ব্যবহার করত। যুদ্ধের পর প্রায় ৫৫ বছর পার হতে যাচ্ছে। মাইনগুলো হয়ত আগের মতো শক্তিশালী অবস্থায় নেই। তবে, মাইনগুলোর গায়ে হলুদ রঙের লেখা স্পষ্ট ও অবয়ব নতুনের মতনই আছে।
ল্যান্ডমাইনগুলো কোন দেশের তৈরি বা এর ধ্বংস করা স্বক্ষমতা কি পরিমান এমন তথ্য নিস্ক্রিয় দলের কাছে জানতে চাইলে জানানো হয়। মাইনগুলো ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীদের ফেলে রেখে যাওয়া।
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের বকশীগঞ্জে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসা...
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের বকশীগঞ্জে অতিরিক্ত দামে জ্বা...
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : এনসিপির আহবায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী ...
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ...
বগুড়া প্রতিনিধি : সারাদেশের বিভিন্ন মেডিকেল ও ডেন্টাল ক...

মন্তব্য (০)