• শিক্ষা

নিরাপদ খাদ্য ও প্রাণিসম্পদ রক্ষায় বাকৃবিতে গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধনী

  • শিক্ষা

ছবিঃ সিএনআই

বাকৃবি প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) "ওয়ান হেলথ দৃষ্টিভঙ্গিতে জলবায়ু-স্মার্ট পদ্ধতির মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলা এবং পশুপালন খাতে খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষা" শীর্ষক একটি কর্মশালা আয়োজিত হয়েছে। হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) – একাডেমিক ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (এটিএফ) প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক কার্যালয়ের আয়োজনে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। 

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। গেস্ট অফ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাকৃবির ফার্মাকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।

স্বাগত বক্তব্য দেন ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জহুরুল ইসলাম এবং প্রকল্পের সার্বিক উদ্দেশ্য, কর্মপরিকল্পনা ও প্রত্যাশিত ফলাফল তুলে ধরেন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক অধ্যাপক ড. মো. মাহমূদুল হাসান শিকদার।

প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন,এই প্রকল্পটি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্যও উপকারী হবে, কারণ এটি তাদের আরও উন্নত সুবিধা এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে এবং আমাদের বাকৃবি আরও বেশি সমৃদ্ধ হবে। 

তিনি আরো বলেন,আমাদের দেশের যে বিষয়গুলো এখন জরুরি - পশুপালন থেকে শুরু করে ওয়ান হেলথ, মানবস্বাস্থ্য সবকিছুকে মিলিয়ে এই প্রকল্পের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব সমস্যাগুলোকে আপনারা আপনাদের সীমিত বাজেটের মধ্যেই যথাসাধ্য সমাধান করবেন বলে আমার বিশ্বাস। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, যে ব্যক্তি যে বিষয়ে দক্ষ তাকে সেই ক্ষেত্রেই কাজের সুযোগ দেওয়া উচিত। হঠাৎ একটি প্রকল্প পেয়ে অন্যত্র চলে গেলে ল্যাবের কাজও হয় না, বিভাগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমি বিভিন্ন বিভাগকে বহুবার বলেছি দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে নিজের মূল দক্ষতার জায়গায় স্থির থাকতে হবে। বিশেষ করে ফার্মাকোলজি বিভাগের বড় কাজের সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত যন্ত্রপাতি, স্মার্ট ল্যাব অবকাঠামো এবং দক্ষ জনবল তৈরি হলে তার সুফল দীর্ঘসময় ধরে বিভাগ উপভোগ করবে। আসলে একটি ল্যাব আধুনিক হলে শুধু সেই ল্যাবই নয় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ল্যাবরেটরি ও গবেষকরাও এর সুবিধা নিতে পারে।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা গবেষণার ক্ষেত্র বিস্তার, মাঠপর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতিনির্ধারণী সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে গবেষণা, নীতিমালা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন।

মন্তব্য (০)





image

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সময় নিয়ে নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক : আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের ভ...

image

বাড়ছে সব ধরনের বৃত্তির টাকা, এককালীন অনুদানও

নিউজ ডেস্ক : দেশের প্রান্তিক ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্...

image

রাবির ‘সি’ ইউনিটের ফল ত্রুটিতে অকৃতকার্য শতাধিক শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম ব...

image

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্যভাবে বাংলা নবব...

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ‘নববর...

image

ওএসডি হলেন মাউশি মহাপরিচালক, শিক্ষা ক্যাডারে বড় রদবদল

নিউজ ডেস্ক : বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে বড় ধরনের রদবদল ...

  • company_logo