ছবিঃ সিএনআই
গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুর মহানগরীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মনসা পূজা উপলক্ষে মেলার দোকানিদের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিযোগটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন অভিযুক্ত নেতারা। তাঁদের দাবি, বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ এবং দলের ভেতরে বিভেদ তৈরির উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে অডিওটি ছড়ানো হয়েছে।
সম্প্রতি এক ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেন। ছড়িয়ে পড়া ওই অডিওতে পূবাইল থানা বিএনপির সদস্য আফজাল হোসেনের সঙ্গে সাবেক ছাত্রদল নেতা সজল সাহার কথোপকথন রয়েছে বলে দাবি করা হয়। সেখানে ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের ছিকুলিয়া মেলার বিভিন্ন দোকান থেকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা প্রায় এক লাখ টাকা চাঁদা তুলেছেন-এমন অভিযোগের কথা শোনা যায়।
অডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
এ ঘটনায় যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা হলেন-৪১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন দেওয়ান ওরফে আনোয়ার দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন, ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পনির হোসেন এবং থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারিজ মিয়া।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ৪১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, তাঁরা চাঁদাবাজির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তাঁর দাবি, পূবাইল থানা বিএনপির সদস্য আফজাল হোসেন ও আওয়ামী লীগের দোসর সজল সাহা পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা সাজিয়েছেন।
আনোয়ার হোসেন বলেন, “আফজাল হোসেন এবং সজল সাহা পরিকল্পিতভাবে দলে বিভেদ তৈরি ও বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এই নাটক সাজিয়েছে। বিগত আওয়ামী শাসনামলে আফজাল তাদের সাথেই ব্যবসা-বাণিজ্য করেছে এবং ৫ আগস্টের পর জামায়াতের সাথে আঁতাত করে চাঁদা দিয়েছে। সে রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে হেয় করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।”
সজল সাহার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, “সজল সাহা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পাতানো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানের পক্ষে কাজ করেছে এবং নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্বে ছিল। যার প্রমাণ ও আলোকচিত্র আমাদের কাছে রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ছড়ানো অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট এবং রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাঁরা দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওটির সত্যতা, কথোপকথনের প্রেক্ষাপট কিংবা কথোপকথনে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বগুড়া প্রতিনিধি : স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও সংকট নিরসনে ...
লালমনিরহাট প্রতিনিধি : তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে...
বগুড়া প্রতিনিধি : পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতি...
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে কালীগঙ্গা ন...
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলে শিবিরের পক্ষ থেকে এসএসসি, দাখিল ও স...

মন্তব্য (০)