ছবিঃ সিএনআই
সঞ্জু রায়, বগুড়া: বগুড়ার শেরপুর থানার হেফাজত থেকে আসামি পালানোর ঘটনা ঘটেছে। যদিও ২৩ ঘণ্টা পর আবারো সেই আসামি কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল ছয়টার দিকে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা উপজেলার একটি বাজার এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে আবার তাঁকে শেরপুর থানার হেফাজতে আনা হয়েছে।
আসামির নাম রাব্বি মিয়া (২৭)। তিনি শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর কলোনি গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, রাব্বি মিয়াকে শনিবার ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে শেরপুর থানায় আনা হয়। তাঁকে রাখা হয় থানার নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্কের একটি কক্ষে। সকাল সাতটার দিকে বাথরুমে যাওয়ার কথা বললে কনস্টেবল রাশেদুল ইসলাম তাঁকে বাইরে নিয়ে যান। এ সময় রাব্বি আচমকা ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এএসআই এরশাদ হোসাইন ও কনস্টেবল রাশেদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে বগুড়ার পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
শেরপুর থানার এসআই সুব্রত সিং বলেন, থানায় কর্তব্যরত পুলিশকে আঘাত করে পালানোর ঘটনায় রাব্বির বিরুদ্ধে নতুন মামলা হয়েছে। মামলার পরপরই এসআই বিকাশ চক্রবর্তী ও এসআই সাইফসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তারা আবারও রাব্বিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মঈনুদ্দীন জানান, আসামিকে ধরতে শেরপুর, ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় পুলিশের একাধিক দল কাজ করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রবিবার সকালে তাঁকে সলঙ্গা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
যদিও সচেতন মহলের ভাষ্য, শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বের অভাব ও প্রশাসনিক অদক্ষতার কারণে থানা হাজত থেকে আসামি পালানোর মত ঘটনা ঘটেছে। শুধু অধ:স্তন পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার নয় থানার সার্বিক কার্যক্রমও তদারকির আহ্বান জানান শেরপুরবাসী।
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় পৌরসভার তুলারডাঙ্গা এলাকায় সড়কের পা...
জামালপুর প্রতিনিধি: প্লাস্টিকের ব্যবহার বর্জন ও মাদকের বিরুদ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে নিষিদ্ধ কার্যক্রম ঘোষিত জেলা আওয়াম...
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সাঁথিয়ায় লোকালয়ে ঢুকে একটি পাগলা শিয়...
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় প্...

মন্তব্য (০)