ছবিঃ সংগৃহীত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ মা-বাবার মাঝখানে ঘুমিয়ে ছিল ছোট্ট সোয়াদ। হঠাৎ অজানা যন্ত্রণায় চেচিয়ে ওঠে। মুহূর্তেই দেখা যায় মশারির নিচ দিয়ে এক বিশাক্ত সাপ চলে যাচ্ছে! অসহায় মা-বাবা ছুটলেন স্থানীয় সুনীল কবিরাজের কাছে। তিন ঘণ্টা ঝাড়ফুঁক আর মন্ত্রে সময় পার হলো, কিন্তু ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে আসছিল শিশু সোয়াদ। অবশেষে অচেতন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হলো ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে। সেখানে শেষ মুহূর্তে এন্টিভেনম প্রয়োগ হলেও আর ফেরানো গেল না সেই ফুটফুটে শিশুটিকে। মর্মান্তিক হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাত শনিবার সকালে শৈলকুপার চর ধলহরাচন্দ্র গ্রামে। সে ওই গ্রামের আলম মন্ডলের ছেলে ও ছাইভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন।
সোয়াদের মা কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, আমরা ভেবেছিলাম শৈলকুপা হাসপাতালে এন্টিভেনম নেই। যদি জানতাম, যদি ছেলেকে সেখানেই নিতাম, হয়তো আমার সোয়াদ বেঁচে যেতো। এঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে এখন শোকের ছায়া। স্বজনরা বাকরুদ্ধ, প্রতিবেশীদের চোখ ভেজা। একটি শিশুর স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ সাপের বিষে থেমে গেল অকালে। উক্ত ঘটনা সম্পর্কে শৈলকুপার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন ঘটনাটি শুনেছি তিনি আরও বলেন শৈলকুপা হাসপাতালে এন্টিভেনম থাকা স্বত্বেও শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে না এসে কবিরাজকে দিয়ে ঝাড়ফুক করে মৃত্যু মুহুর্তে ফরিদপুর মেডেকেলে নিয়ে যায়।
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও ...
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের মূল্যায়নে জেলার ...
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম...
পাবনা প্রতিনিধিঃ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (ব...
গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জে এক ব্যতিক্রমী আয়োজনে...

মন্তব্য (০)