প্রতীকী ছবি
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামের পাওয়ারহাউজ পাড়ার অদুরে অবস্থিত হিমালয় অটোমেটিক ইটভাটার ভিতর থেকে শান্ত হোসেন (১৬) নামের এক ভাটা কর্মচারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শান্ত হোসেন একই উপজেলার শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের গ্রামের পারহাউজ পাড়ার আজিজুল হকের ছেলে ও হিমালয় অটোমেটিক ইটভাটার কর্মচারী ছিল।
সোমবার(১জুলাই) রাত ১১টায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মর্গের হিম ঘরে রাখা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আনিসুজ্জামান জানান,আমরা বিশেষ সূত্রে জানতে পারি শঙ্করচন্দ্র গ্রামে শান্ত নামের একটি ছেলে পানিতে ডুবে মারা গেছে। কিন্তুু ঘটনাস্থলে এসে যা দেখেছি তাতে মৃত্যুটি রহস্য মনে হয়েছে। একারণে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গায় সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট শেষে মৃত্যুর মূল কারণ জানা যাবে। এাছাড়া ময়না তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা যেনে থানায় নিয়মিত মামলা গ্রহণ করা হবে।
শান্তর পিতা আজিজুল হক শান্তকে হত্যা করা হয়েছে দাবী করে বলেন,সোমবার মসজিদের আযান দিয়ে নামাজ আদায় শেষে আমার ছেলে শান্ত বাড়ি এসে ভাত খায়। এর পর বেলা ২টার দিকে বাড়ির অদুরেই প্রতিদিনের মত হিমালয় অটোমেটিক ইটভাটার কাজে যায়। তবে, অন্যান্যদিন বেলা ৫টার ভিতর কাজ শেষে বাড়ী আসলেও আজ বাড়ি না আসায়, পরিবারের পক্ষ থেকে শান্তকে ইটভাটায় খোঁজ নিতে যায়। কিন্তু ইটভাটার কেউ শান্তর খবর বলতে পারেনা। একপর্যায়ে গ্রামবাসীদের মনে সন্দেহ হয়। তারা ইটভাটার ভিতরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত ১০টার দিকে ইটভাটার পূর্বদিকের একটি গর্তের ধারে শান্তর পায়ের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে।
ঐ স্যান্ডের সূত্র ধরে গর্তের হাটু পানির ভিতর থেকে শান্তর মৃতদেহ উদ্ধার করে গ্রামবাসী। এরপর পুলিশের খবর দিলে পুলিশের সন্দেহ হাওয়ায় মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে যায় বলা হোকনা কেন শান্ত হোসেনের পরিবার ও গ্রামবাসীদের অভিযোগ শান্তকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য ইটভাটার পাশের গর্তের পানিতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরিবার ও গ্রামবাসীরা এ হত্যাকান্ডের বিচারের দাবী জানায়।
গ্রামবাসীরা আরো জানায় গত কয়েক বছর আগেও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী গ্রামের ছানোয়ার নামের আরো এক ভাটা শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গ্রামবাসীদের কারো কারো দাবী ইটভাটার কয়লার চ্যাম্বারে অক্সিজেন কম সেখানে জোর করে শ্রমিকদের নামিয়ে দেওয়ার কারণে প্রতিবছর মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। তারা ইটভাটা বন্ধসহ ভাটা মালিকের শাস্তি দাবী করেছে। ইটভাটা বন্ধের দাবীও তুলেছে।
লালমনিরহাট প্রতিনিধি :পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে নারীর টান...
নিউজ ডেস্ক : আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়া...
লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার টেপ...
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নে...
রংপুর ব্যুরো : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রংপুরে সার্বিক...

মন্তব্য (০)