ছবিঃ সিএনআই
দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পারিবারিক সম্পত্তির অংশিদ্বারিত্বের বিরোধের জেরে বাবা এবং সৎভাইকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সহোদর সাদেকুল ইসলাম (৩০) এবং সাকিব (১৯) কে গতকাল সোমবার চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ১৩ এবং র্যাব ৭ এর একটি যৌথ টিম।
সাদেকুল ইসলাম (৩০) এবং সাকিব (১৯) দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার টেপাপাড়ার বাসিন্দা হত্যার শিকার শহিদুল হক দুলুর দ্বিতীয় পক্ষের ছেলে।
মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে র্যাব ১৩এর মিডিয়া উইং প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জেলার চিরিরবন্দরের পলাশবাড়ী টেপাপাড়ার বাসিন্দা শহিদুল হক দুলুর মালিকানাধীন ১৬ বিঘা জমির অংশিদ্বারিত্ব নিয়ে বিরোধ চলছিল তার দুই স্ত্রীর প্রথম পক্ষের দুই ছেলে হাবিল - কাবিল এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই ছেলে সাদিকুল ইসলাম ও সাকিব ইসলামের মধ্যে। পিতার পারিবারিক জমির পুরো মালিকানা বুঝে নিতে চাচ্ছিল দ্বিতীয় পক্ষের সন্তানরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা অমিমাংসিত বিরোধের মধ্য গত ১২ মে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে বাড়ির কাছে নিজের জমি থেকে ভুট্টা সংগ্রহ করছিল পিতা শহিদুল ইসলাম দুলু। এসময় তাকে ভূট্রা তুলতে বাধা দেয় দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে সাদিকুল ইসলাম। বাক বিতন্ডার মধ্যে বাড়ি গিয়ে বল্লম ও ছুরি নিয়ে আসে সাদিকুল ইসলাম। এক পর্যায়ে পিতার বুকে বল্লমের হানা দেয় সে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে কিছুক্ষণের মধ্যে প্রাণ হারান হতভাগা পিতা। এসময় বাবাকে রক্ষায় এগিয়ে আসায় সৎভাই কাবিলকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্হায় উদ্ধার করে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার হলে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন জরুরী বিভাগের চিকিৎসক।
নৃশংস দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সৎ মা এবং দুই সৎ ভাইসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে পরদিন ১৩ মে চিরিরবন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন হত্যার শিকার শহিদুল হক দুলুর প্রথম স্ত্রীর ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিল। মামলা নম্বর ১৩।
অন্যদিকে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্বগোপন করে অভিযুক্তরা। তথ্য প্রযুক্তিসহ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবস্হান চিহ্নিত করে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেডের আকমল আলী রোড রেলবিট এলাকার হারুন মিয়ার রিক্সা গ্যারেজে যৌথভাবে গতকাল সোমবার দুপুরে যৌথভাবে অভিযান চালায় র্যাব-১৩ এর দিনাজপুর সিপিসি-১ এর ক্যাম্পের সদস্যসহ চট্রগ্রামে কর্মরত র্যাব-৭ এর সদস্যরা। এসময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাদেকুল ইসলাম (৩০)কে এবং রাত সোয়া ৯টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেডের হোটেল ব্লু সোম ইন্টারন্যাশনালের সামনে পৃথক অভিযানে অপর আসামি সাকিব (১৯) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তারা।
চিরিরবন্দর থানার ইনচার্জ মাহমুদুল নবী জানান, মামলার তদন্তেরভার ডিবি পুলিশের দ্বায়িত্ব অর্পিত হয়েছে।
ডিবি পুলিশের ইনচার্জ এফ.এম মনিরুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইকে হেফাজতে নিযে ডিবি পুলিশের টিম চট্রগ্রামের উদ্দেশ্য রওয়ানা দিয়েছে। আগামীকাল বুধবার তারা আসামিসহ দিনাজপুরে ফিরতে পারবে বলে আশা করছেন তারা।
পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার চাটমোহর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী নিয়...
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের গ...
নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর...
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশী অভি...
রংপুর ব্যুরো : তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কাটে...

মন্তব্য (০)