• সমগ্র বাংলা

সাটু‌রিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন: মা বাবা ও ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

মা‌নিকগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১০ম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও পরবর্তীতে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে সাটু‌রিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত যুবক, তার বাবা মা, ভাই ও খালুসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করে সাটুরিয়া থানায় একটি মামলা দা‌য়ের ক‌রে‌ছে নির্যাত‌নের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা।

​মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপু‌রে সাটু‌রিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোশাররফ হোসেন বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।

​মামলার আসামিরা হলো, উপ‌জেলার বরাইদ সাভার হলপাড়া এলাকার আক্তার হোসেন ওরফে আহিলার ছেলে মূল অভিযুক্ত মো: চপল (২২), তার ভাই মো: সবুজ (২০), বাবা আক্তার হোসেন আহিলা (৫০), মা মুক্তা আক্তার (৪২) এবং পশ্চিম ছনকা এলাকার মৃত হাবেজ উদ্দিনের ছেলে ও চপলের খালু মো: রফিকুল ইসলাম রফিক (৪২)।

​মামলা সূত্রে জানা গেছে, নির্যাত‌নের শিকার ওই তরুণী উপ‌জেলার দিঘুলীয়ার এম বোরহান উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে সাভার হলপাড়া এলাকার চপল তাকে উত্ত্যক্ত ও ফুঁসলিয়ে গত প্রায় দেড় বছর ধরে একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর চপল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে গভীর রাতে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আর এই কাজে ঘরের বাইরে পাহারা দিয়ে সহযোগিতা করত চপলের ছোট ভাই সবুজ।

​সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল বিকেলে সাভার উত্তরপাড়া এলাকায় এক আত্মীয়ের ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে চপল ওই ছাত্রীকে পুনরায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এ সময় ওই আত্মীয় বাড়িতে এসে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে চপল দ্রুত বিয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলে কৌশলে পালিয়ে যায়।

​পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে চপলের পরিবার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তাকে তড়িঘড়ি করে অন্যত্র বিয়ে করানোর চেষ্টা চালায়। এরই অংশ হিসেবে কোরবানির ঈদের পর চপলকে ছনকা এলাকায় তার খালু রফিকুল ইসলামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে খালাতো বোনের সাথে বিয়ের কথাবার্তা চূড়ান্ত করতে থাকে পরিবার।

​এই খবর পেয়ে গত ১৭ জুন দুপুরে ওই স্কুলছাত্রী চপলের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং তাকে বিয়ের দাবি জানায়। এ সময় চপলের বাবা আক্তার হোসেন ও খালু রফিকুল ইসলামের নির্দেশে চপলের ভাই সবুজ এবং মা মুক্তা আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ওই ছাত্রীকে এলোপাতাড়ি মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে চপলের মা মুক্তা আক্তার ওই ছাত্রীর গলা চিপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালায় এবং ভাই সবুজ বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তার বাম পা জখম করে।

​সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মোশাররফ হোসেন জানান, এ বিষয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বাদী হ‌য়ে সোমবার রা‌তে একটি মামলা দা‌য়ের ক‌রে‌ছে নির্যাত‌নের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা। ভুক্তভোগী ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য (০)





image

নড়াইলে চাঁদার দাবিতে কালিয়া ব্যবসায়ীর কার্যালয় ও বসতবাড়ি...

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার গাজীরহাট রামানন্দপ...

image

পাবনায় ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের শোকজ

পাবনা প্রতিনিধি : ‎মৌলিক স্বাক্ষরতা ও সংখ্যা জ্ঞান ...

image

জন্মের ৪০ দিন পর বাবার মৃত্যু, ৬ মাস বয়সে মায়ের পরিত্যাগ,...

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : জন্মের মাত্...

image

নওগাঁয় একই স্কিমে দুটি গভীর নলকূপ, এক দশক পানি সেচের দ্বন...

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের ...

image

নজরুলের চেতনা সবখানে ছড়িয়ে দিতে হবে : লতিফুল ইসলাম শিবলী

পাবনা প্রতিনিধি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নি...

  • company_logo