ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চা—একটি পানীয় নয়, অনেক দেশের সংস্কৃতি, অর্থনীতি আর দৈনন্দিন জীবনের অংশ। আন্তর্জাতিক চা দিবসে বিশ্বজুড়ে আবারও আলোচনায় এসেছে কোন দেশ সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন করে। জলপাই পাতার মতো সবুজ এই পানীয়টি বিশ্বে পানির পরই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।
বিশ্বের চা উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে কয়েকটি দেশ, যারা শুধু উৎপাদনই নয়, রপ্তানি ও অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
চীন: চায়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী শীর্ষে
চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় চা উৎপাদনকারী দেশ। বিশ্বের মোট চা উৎপাদনের প্রায় অর্ধেকই আসে এই দেশ থেকে। ইতিহাস বলছে, চায়ের উৎপত্তিও নাকি এই দেশেই। তাই চা চীনের সংস্কৃতির গভীর অংশ।
ভারত: দ্বিতীয় বৃহৎ উৎপাদক
চীনকে অনুসরণ করে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। এখানে উৎপাদিত চায়ের বড় অংশ দেশেই খাওয়া হয়। দুধ, আদা, দারুচিনি ও মসলা মিশিয়ে তৈরি ‘চা’ ভারতীয়দের দৈনন্দিন জীবনের অংশ।
কেনিয়া: রপ্তানিতে শক্তিশালী দেশ
আফ্রিকার এই দেশটি বিশ্বের অন্যতম বড় কালো চা রপ্তানিকারক। চা কেনিয়ার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যদিও স্থানীয়রাও দুধ-চিনি দিয়ে চা পান করে থাকেন।
শ্রীলঙ্কা: সিলন চায়ের খ্যাতি
বিশ্ববিখ্যাত সিলন চায়ের জন্য পরিচিত শ্রীলঙ্কা। এই চা বিশ্ববাজারে উচ্চমানের হিসেবে পরিচিত এবং দেশটির অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে।
ভিয়েতনাম: ঐতিহ্যের চায়ের দেশ
এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন চা উৎপাদক দেশ ভিয়েতনাম। এখানে সবুজ চা সবচেয়ে জনপ্রিয়, পাশাপাশি ফুলের স্বাদযুক্ত বিশেষ চাও তৈরি হয়।
তুরস্ক: আতিথেয়তার প্রতীক চা
তুরস্কে চা শুধু পানীয় নয়, আতিথেয়তার প্রতীক। ছোট গ্লাসে গরম ও চিনি ছাড়া চা পরিবেশন করা দেশটির সংস্কৃতির অংশ। স্থানীয়ভাবেই বেশিরভাগ চা খাওয়া হয়।
চা শুধু একটি পানীয় নয়, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি আর অর্থনীতির এক শক্তিশালী যোগসূত্র—যা বিশ্বকে এক কাপ চায়ের মাধ্যমে একসঙ্গে বেঁধে রেখেছে।
নিউজ ডেস্কঃ চলমান সংঘাতের অবসানে ইরানের দেওয়া সর্বশেষ যুদ্ধব...
নিউজ ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মন্ত্রিসভার ...
নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে...
নিউজ ডেস্ক : ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে আগাম নির্বাচন এবং প...
নিউজ ডেস্ক : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যা...

মন্তব্য (০)