ছবিঃ সংগৃহীত
ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ যাঁকে সবাই ‘দুঃখীরাম’ বলে ডাকতেন, নামের সার্থকতা যেন তাঁর নিয়তিতেই লেখা ছিল। জীবনের প্রতিটি সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত যাঁর হাত ধরে কাটত বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজিয়ে, আজ সেই মানুষটিই হাসপাতালের নির্জন শয্যায় যন্ত্রণার প্রহর গুনছেন। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার জাটিগ্রাম মমতাজউদ্দিন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আজন্ম সেবক সুকুমার বিশ্বাস আজ বড় নিঃস্ব। পচন ধরায় কেটে ফেলতে হয়েছে তাঁর একটি পা।
গল্পটি যখন নিয়তির পরিহাসের:
শৈশবে পিতৃহারা হওয়ার পর মায়ের হাত ধরে ঠাঁই হয়েছিল ঘোষ পরিবারে। সেখান থেকেই শুরু হয় বিদ্যালয়ের দপ্তরীর কাজ। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্মৃতিতে মিশে থাকা এই মানুষটি অবসরের পর আজ একা। নেই কোনো জমিজমা, নেই মাথার ওপর নিজস্ব ছাদ। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন এই মানুষটির রক্তে এখন বয়ে চলেছে তীব্র সংক্রমণ।
চিকিৎসকদের বক্তব্য:
ডান পায়ের ধমনীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পচন রোধ করতে চিকিৎসকরা পা কেটে ফেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। রক্তশূন্যতা ও সংক্রমণের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন।
আর্তমানবতার ডাক:
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আতিয়ার রহমান আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, "দুঃখীরাম আমাদের বিদ্যালয়ের ইতিহাসের জ্যান্ত দলিল। আজ তিনি পঙ্গুত্বের যন্ত্রণায় কাঁদছেন, আর আমরা শুধু তাকিয়ে দেখছি? বিত্তবানদের কাছে আকুল আবেদন, এই মানুষটিকে অন্তত শেষ জীবনে সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিন।"
আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী জানান, 'বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে সরকারিভাবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার চেষ্টা করা হবে।'
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা...
পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত এলাকায় নিজ ...
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার তিনটি গ্...
গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার আওড়াখালী বাজার...
বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার একজন ইউপি সদস...

মন্তব্য (০)