• সমগ্র বাংলা

নানা আয়োজনে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নানা আয়োজনে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৩তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নূর মোহাম্মদ নগরে কোরআনখানি, শোভাযাত্রা, স্মৃতিসৌধে গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আশফাকুল হক চৌধুরী ,জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: মনিরুল ইসলাম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জুবায়ের হোসেন চৌধুরী (রাজষ্ব) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকএম এম আরাফাত হোসেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দোলন মিয়া( সদর সার্কেল) প্রমুখ ।

মহান মুক্তিযুদ্ধে (৫ সেপ্টেম্বর) তারিখের এ দিনে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শাহাদতবরণ করেন এই বীর যোদ্ধা। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুরে তাকে সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। তবে, মতান্তর রয়েছে। মহিষখোলার নাম পরিবর্তন করে ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ নূর মোহাম্মদ নগর করা হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৮নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী নূর মোহাম্মদ নগরের উদ্বোধন করেন।  

এরপর উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে যায় নূর মোহাম্মদ নগর। তার স্মৃতি রক্ষার্থে নূর মোহাম্মদ নগরে নির্মাণ করা হয়েছে ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর’, স্মৃতিস্তম্ভ এবং স্কুল ও কলেজ। এছাড়া নড়াইল শহরে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। এদিকে, ২০১৮ সালের ২১ নভেম্বর নূর মোহাম্মদ শেখের স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা (৮০) বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। নূর মোহাম্মদের তিন মেয়ে ও এক ছেলে নড়াইল এবং যশোর শহরে বসবাস করেন। 

নূর মোহাম্মদের কর্মময় জীবন থেকে জানা যায়, ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) যোগদান করেন তিনি। ইপিআর বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (বিজিবি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই বাহিনীতে দীর্ঘ দিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পরে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন তিনি। পরবর্তীতে ল্যান্স নায়েকে পদোন্নতি পান। ১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮নম্বর সেক্টরের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৮নম্বর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী এবং সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এস এ মন্জুর । নূর মোহাম্মদ যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নেতৃত্বে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন।

মন্তব্য (০)





image

সৃষ্টিকর্তার পরেই যেন মানুষ বিচার বিভাগের ওপর নিজের আস্থা...

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: শুক্রবার ঝিনাই...

image

ফরিদপুরে মশলা চাষের নতুন দুয়ার: বারি'র আধুনিক প্রশিক্ষণ ...

ফরিদপুর প্রতিনিধি : আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের মাটিতে মশলার...

image

বৈধ চ্যানেলে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ইউসিবির সম্মাননা...

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: বৈধ ব্যাংক...

image

নড়াইলে বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখের বেহাল সড়ক, মানববন্ধনে সংস্ক...

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নে দত্তপাড়া ...

image

সিগারেট জ্বালাতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের ...

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ঘরের ভেতর জমে থাক...

  • company_logo