• রাজনীতি

ফরিদপুরের ৪ টি আসনেই নৌকার অবস্থা ঝুকিপূর্ণ 

  • রাজনীতি

ফাইল ছবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ফরিদপুরে আওয়ামীলীগের ৪টি আসনই বিভিন্ন কারনে নৌকার প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। সুবিধা জনক অবস্থানে আছে আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ফরিদপুর আসন (১) বোয়ালমারী-মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা নিয়ে গঠিত। এখানে নৌকার প্রার্থী আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির  প্রেসিডিয়ামের সদস্য আব্দুর রহমান। স্বতন্ত্র প্রার্থী আছে 

কৃষক লীগের সহসভাপতি আরিফুর  রহমান দোলন। তবে বিভিন্ন কারনে দুই জনই বিতর্কিত।  একাধিক এলাকাবাসী জানান, খোন্দকার মোশারফ হোসেন ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তার নাম ব‍্যবহার করে অনেক সুযোগ সুবিধা সহ অনেক কিছু করেছে। দুই হাজার কোটি টাকার মানল্ডারীং মামলার সাথে জড়িত রয়েছে সি আই ডির তদন্তে আদালতে রিপোর্ট জমাও দেওয়া হয়েছে।

 অপর দিকে আব্দুর রহমান পর পর দুই বার সংসদ  নির্বাচিত হয়ে তার নিজস্ব লোক ছাড়া কিছুই করেন নাই। তবে আলোচিত কিছু রাস্তা ঘাট করিয়েছেন। আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ গুলো হচ্ছে কমিটি ও ইউ পি নির্বাচনে মনোয়ন বানিজ‍্য।

ফরিদপুর নির্বাচনী আসন (২) সালথা-নগরকান্দা। এ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী পুত্র কনিষ্ঠ পুত্র শাহাবাব আকবর চৌধুরী লাবু।  স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে নগরকান্দা উপজেলা  আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক  জামাল হোসেন মিয়া। কিন্তু লাবু চৌধুরীর বিরুদ্ধে  এলাকাবাসির অভিযোগ অনেক। তিনি এলাকার বহু দলীয় নেতা কর্মিদের হামলা মামলা দিয়ে নির্যাতন চালিয়েছেন অনেক। তার মধ্যে  সালথা উপজেলা পরিষদ হামলার মামলায় তার ভুমিকা ছিল রহস্য জনক। এ ঘটনার মিথ্যা মামলায় অনেক নিরহ মানুষ জেল খেটেছে।সালথা -নগরকান্দায় আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পরেছে।

ফরিদপুর নির্বাচনী আসন (৩) সদর  এ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন  জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি  শামীম হক। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে  নির্বাচন করছে ফরিদপুর জেলা  আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা কর্মিটির  সদস্য ও বিশিষ্ট ব‍্যাবসায়ি হা-মীম গ্রুপের কর্নধার একে আজাদ।

শহরবাসী জানান, ফরিদপুরে শামীম হক  একজন ভালো লোক। কোন টাকা পয়সার প্রতি কোন লোভ লালসা তার নেই।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তার সাথে সামনে পিছনে যারা থাকে এদের কোন গ্রহনযোগ্যতা নেই শহরে।  এদের কে ফরিদপুর বাসি ত্রাস হিসাবে মানুষ চিনে।  এজন্য এদের নিয়ে ভোট চাইতে আসাটা ভোটারা পছন্দ করেনা।

ফরিদপুর নির্বাচনী আসন (৪) ভাংগা- সদরপুর - চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত।এ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী প্রেসিডিয়াম  সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ এবং  স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছে বতর্মান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবর রহমান চৌধুরী নিক্সন।

নিক্সন চৌধুরী  গত দুটি সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করে কাজী জাফর উল্লাহ কে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছে। কাজী জাফর উল্লাহ বিরুদ্ধে এলাকাবাসির অভিযোগের বিস্তার নাই। তিনি বেশি ভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করে। এলাকার লোকের সাথে যোগাযোগ নাই বললেই চলে। কাজী সাহের এপিএস মামুনের বিরুদ্ধে ও রয়েছে অভিযোগ ।   সাধারণ জনগন কাজী জাফর উল্লাহ সাথে দেখা করতে বা কথা বলতে হলে আগে তাকে ম‍্যানেজ করতে হয় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসীরা।

 বে নিক্সন চৌধুরীর সাথে কথা বলতে বা দেখা করতে এপিএস পযর্ন্ত পৌছানো লাগে না বলে এলাকাবাসীরা জানান।এই সব সার্বিক মিলিয়ে ফরিদপুরের চার টি আসন আওয়ামীলীগের জন‍্যঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করে ফরিদপুরের সকল এলাকার ভোটারা।

 

মন্তব্য (০)





image

‎নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জায়মা রহমা...

image

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, ধানমন্ডিত...

নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যু...

image

সরকারি দল রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে: এনসিপি

নিউজ ডেস্ক : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মা...

image

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

নিউজ ডেস্ক : ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সং...

image

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, ধানমন্ডিত...

নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়...

  • company_logo