• সমগ্র বাংলা

কালীগঞ্জে মাদ্রাসার চেয়ে কলেজে পাসের হার কম, সেন্ট মেরিজে সর্বোচ্চ সাফল্য

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে কলেজ ও মাদ্রাসার মধ্যে পাসের হারে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান দেখা গেছে। কলেজ পর্যায়ে যেখানে পাসের হার ৫৪ দশমিক ০১ শতাংশ, সেখানে মাদ্রাসা পর্যায়ে এ হার ৭০ দশমিক ১২ শতাংশ। দুই পরীক্ষায় সম্মিলিত পাসের হার ৫৫ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট ১ হাজার ১২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬১৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৫০৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।

এইচএসসি পরীক্ষায় উপজেলার সাতটি কলেজের মধ্যে সেন্ট মেরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০২ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে সাতজন।

তবে উপজেলার সব কলেজের ফলাফল একই রকম নয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ঢালী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র পাঁচজন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ২০ শতাংশ। অন্যদিকে, কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজ থেকে সবচেয়ে বেশি ৫৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও পাস করেছে ২৫২ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩১১ জন।

অন্যান্য কলেজের মধ্যে আজমতপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৬৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ, কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে ৫১ দশমিক ৭৯ শতাংশ, কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৪৯ দশমিক ১২ শতাংশ এবং জামালপুর কলেজে ২৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

আলিম পরীক্ষায় তুলনামূলক ভালো ফল করেছে উপজেলার মাদ্রাসাগুলো। সাতটি মাদ্রাসায় ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৪ জন পাস করেছে। অকৃতকার্য হয়েছে ২৩ জন। পাসের হার ৭০ দশমিক ১২ শতাংশ।

এ পরীক্ষায় বড়গাঁও বাইতুল আলিম মাদ্রাসার পাঁচজন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। শতভাগ পাসের পাশাপাশি এম ইউ কামিল মাদ্রাসায় ৭৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, জাঙ্গালিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৮০ শতাংশ এবং চুপাইর জামিউল উলুম মাদ্রাসায় ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এ ছাড়া ছাতিয়ানি আলিম মাদ্রাসায় ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং বাঘুন মদিনাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ পাসের হার। জামালপুর দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় পাসের হার সবচেয়ে কম, ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন, তিনি চুপাইর জামিউল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান বলেন, “কলেজ ও মাদ্রাসার ফলাফলের এই পার্থক্যকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। তবে শুধু পাসের হার দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক শিক্ষার মান নির্ধারণ করা যায় না। শিক্ষার্থীর সংখ্যা, উপস্থিতি, পাঠদানের ধারাবাহিকতা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান ভালো ফল করেছে, তাদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিনিময় করা যেতে পারে। পাশাপাশি পিছিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিহ্নিত করে শিক্ষার মান বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের জন্য শুধু পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি নয়, শিক্ষাবর্ষজুড়ে নিয়মিত পাঠদান ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগই পারে কালীগঞ্জের শিক্ষার মান আরও এগিয়ে নিতে।

মন্তব্য (০)





image

শিবচরে প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতামূলক অভিযান ও পরিচ্ছন্ন...

১

মাদারীপুর প্রতিনিধি: প্লাস্টিক দূষণ রোধ, পরিবেশ সুরক্ষা ও জন...

image

পাবনায় জিপি'র বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ স্বেচ্ছা...

২

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনা জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি)...

image

১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চে নড়াইলের হাজ...

৩

নড়াইল প্রতিনিধিঃ গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ কেন্দ্র ঘোষিত ৭ ...

image

অ্যাম্বিশন কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে শিক্ষার...

৪

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে...

image

জনগণের ভোটের দাবি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে’ - ফরিদপুর...

৫

ফরিদপুর প্রতিনিধি : জনগণের ভোটের দাবি ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ...

  • company_logo