চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি (১৮/০৯/২৬)
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের কর্চাডাঙ্গা জোলপাড়া এলাকায় সমাজকে মাদকমুক্ত করা এবং ইসলামী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জু্ম্মা নামাজ শেষে মাদক বিরোধী মানববন্ধন ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্চাডাঙ্গা জোলপাড়া মসজিদ কমিটি, স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুব সমাজের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
তবে কেবল মাদকবিরোধী কর্মসূচিই নয়, কর্চাডাঙ্গা জোলপাড়া গ্রামটি এখন পুরো উপজেলার জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। স্থানীয়দের মতে, জোলপাড়া মসজিদকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রামটি এখন কুরআন, সুন্নাহ ও ইসলামী শরীআ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
এই মসজিদকেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থার সুফল হিসেবে এলাকায় সামাজিক অপরাধের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে এখন।
এলাকাবাসী জানান, মাওলানা আব্দুস সামাদ এই মসজিদে খতিব হিসেবে যোগদানের পর থেকেই পুরো সমাজের চিত্র পাল্টাতে শুরু করে। তাঁর হাত ধরে ও দিকনির্দেশনায় সাধারণ মানুষ এখন আল্লাহভীরু ও নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়ে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। ভেদাভেদ, সামাজিক দলাদলি কিংবা রাজনৈতিক কোন্দল ভুলে সর্বস্তরের মানুষ এখন এক কাতারে থেকে সমাজ পরিচালনা করছেন। কর্চাডাঙ্গা
জোলপাড়ার এই সুশৃঙ্খল ও আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা দেখে এখন অনুপ্রাণিত হচ্ছেন আশপাশের অন্যান্য গ্রামের মানুষও। তারাও নিজেদের এলাকায় কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিচ্ছেন।
অনুষ্ঠান শেষে এলাকার তরুণ ও যুবসমাজকে সৎ পথে পরিচালিত রাখতে এবং সমাজকে যাবতীয় অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদক থেকে মুক্ত রাখতে এক বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
কুরআন-সুন্নাহর আলোয় বদলে গেছে চুয়াডাঙ্গার কর্চাডাঙ্গা জোলপাড়া: মসজিদে দুই হাত তুলে মাদক ছেড়ে দেওয়ার শপথ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের কর্চাডাঙ্গা জোলপাড়া এলাকায় সমাজকে মাদকমুক্ত করা এবং ইসলামী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এক আবেগঘন ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার( ১৮ সেপ্টেম্বর) জুম্মা নামাজ শেষে কর্চাডাঙ্গা জোলপাড়া মসজিদ কমিটি, স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুব সমাজের যৌথ উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিল মসজিদে সর্বস্তরের মানুষের দেওয়া এক বিশেষ প্রতিশ্রুতি। সেখানে উপস্থিত সবাই মহান আল্লাহর ঘরে দুই হাত তুলে জোরালো শপথ করেন—এই এলাকায় কেউ কখনো মাদক গ্রহণ করবেন না এবং মাদক কেনাবেচা বা কোনো ধরনের মাদকের ব্যবসার সঙ্গে নিজেদের জড়িত রাখবেন না।
স্থানীয়দের মতে, কর্চাডাঙ্গা জোলপাড়া গ্রামটি এখন পুরো উপজেলার জন্য এক অনন্য সামাজিক দৃষ্টান্ত। জোলপাড়া মসজিদকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রামটি এখন কুরআন, সুন্নাহ ও ইসলামী শরীআ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। এই মসজিদকেন্দ্রিক সুশৃঙ্খল শাসন ব্যবস্থার সুফল হিসেবে এলাকায় সামাজিক অপরাধের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
গ্রামবাসী জানান, পাঁচ বছর আগে মাওলানা আব্দুস সামাদ এই মসজিদে খতিব হিসেবে যোগদানের পর থেকেই পুরো সমাজের ধর্মীয় ও সামাজিক চিত্র পাল্টাতে শুরু করে।
তাঁর দিকনির্দেশনায় সাধারণ মানুষ এখন আল্লাহভীরু ও নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়ে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। কোনো ভেদাভেদ, সামাজিক দলাদলি কিংবা রাজনৈতিক কোন্দল ছাড়াই সর্বস্তরের মানুষ এক কাতারে এসে সমাজ পরিচালনা করছেন। আন্দুলবাড়ীয়া কর্চাডাঙ্গা
জোলপাড়ার এই সুশৃঙ্খল ও আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা দেখে এখন অনুপ্রাণিত হচ্ছেন আশপাশের অন্যান্য গ্রামের মানুষও। তারাও নিজেদের এলাকায় কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।
কর্মসূচি শেষে এলাকার তরুণ ও যুবসমাজকে সৎ ও সঠিক পথে পরিচালিত রাখতে এবং পুরো গ্রামকে যাবতীয় অপরাধ থেকে মুক্ত রাখার জন্য এক বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এতে এলাকার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
মন্তব্য (০)