ছবিঃ সংগৃহীত
স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন ওয়েলশ কোচ ক্রিস কোলম্যান। এবার তাকে জাতীয় দলের দায়িত্ব দিতে রাজি হয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও।
রোববার জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের উদ্বোধন করার পর এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে। তিনি এ বিষয়ে বলেন, ‘শর্টলিস্টে থাকা কয়েকজন বিদেশি কোচের মধ্যে কোলম্যানকে নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার সম্মতি দেওয়া হয়েছে।’
তিনি জানান, কোলম্যানকে কোচ করে আনার বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছে বাফুফে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়েছে। আমিনুল বলেন, ‘আপনারা কোলম্যানের কথা শুনেছেন, বার্ন্ড স্টর্ক রয়েছেন; আরও কয়েকজন আছেন। তাদের মধ্যে থেকে যাকে নেওয়ার জন্য আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি, সেই কোলম্যানের বিষয়ে বাফুফে সহযোগিতা চেয়েছে। আমরা সম্মতি দিয়েছি।’
তবে এরপরও কোলম্যানকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় এখনও কাটেনি। প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘বাফুফে সভাপতির সঙ্গে কথা বলে যতটুকু বুঝেছি, কোলম্যানের এজেন্টের সঙ্গে কিছু বিষয়ে এখনো বোঝাপড়া হয়নি। সেটি হলেই আমরা নিশ্চিত হতে পারব কোলম্যানকে পাওয়া যাবে কি না।’
তবে তিনি জানান, কোলম্যানকে না পাওয়া গেলেও বাফুফে ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিকল্প পরিকল্পনা আছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন সে নামটি হতে পারে বার্ন্ড স্টর্ক। যদিও কোলম্যানকেই কোচ করে আনাটাই প্রধান লক্ষ্য দুই পক্ষের।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কথা, ‘কোলম্যানকে নিয়ে আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে বিকল্প পরিকল্পনাও রয়েছে। আমাদের সেকেন্ড চয়েসও আছে। সেই বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা এবং ফুটবল সংশ্লিষ্টদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা কোলম্যানকেই চাই।’
নতুন কোচের নাম কবে ঘোষণা হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল হক বলেন, ‘আমি চাই আগামীকালকের (আজ) মধ্যেই হয়ে যাক। কিন্তু যেহেতু এজেন্টের সঙ্গে আলোচনা রয়েছে, তাই সেটা শেষ হলেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।’
কোলম্যান উয়েফা প্রো লাইসেন্সধারী কোচ এবং ব্রিটিশদের ওবিই খেতাব পেয়েছেন। ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ওয়েলস জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
তার সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো গ্যারেথ বেলদের ওয়েলসকে ইউরো ২০১৬ এর সেমিফাইনালে নিয়ে যাওয়া। ৫৮ বছরের মধ্যে সেটি ছিল ওয়েলসের প্রথম বড় টুর্নামেন্ট। সেই সময় দলটি ফিফা র্যাংকিংয়ে আটে উঠেছিল। গ্যারেথ বেল ও অ্যারন রামসেকে ঘিরে ৩-৫-২ বা ৪-৩-৩ ছকে কম্প্যাক্ট ও দ্রুতলয়ের খেলার ধারা তৈরি করেছিলেন কোলম্যান।
তবে তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনা। সাবেক ওয়েলস কোচ গ্যারি স্পিডের মৃত্যুর পর শোকগ্রস্ত দলকে এক করে ‘টুগেদার স্ট্রংগার’ নামের একটি শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি। কভেন্ট্রি ও সান্ডারল্যান্ডের মতো ক্লাবে কাজ করতে গিয়ে কিছুটা সংকটে পড়লেও ফেডারেশন পরিবেশে তিনি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করেন।
স্পোর্টস ডেস্ক : রিয়াল মাদ্রিদে ফিরছেন জোসে মরিনিও। আগামী ম...
স্পোর্টস ডেস্ক : ঢাকা টেস্টে চরম ব্যর্থ মাহমুদুল হাসান জয়। ঢ...
স্পোর্টস ডেস্ক : দ্বিতীয় সেশনেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল প...
স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট টেস্টের প্রথম দিনেই ২৭৮ রানে অলআউ...
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আলোচ...

মন্তব্য (০)