ছবিঃ সিএনআই
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত আংগুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।বিদ্যালয়টিতে আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের শিশুরা পড়াশুনা করে। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তা মধ্যে ছোট একটি কালভার্ট না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতে তাদের। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে স্কুলে যাতায়াত করলেও নজর নেই কর্তৃপক্ষের। পারাপারের জন্য স্থানীয়রা সেখানে বাঁশ দিয়ে তৈরি করেছে সাঁকো। আর সেই সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, ১৯৭২ সালে আংগুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। ২০১২ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে সব শ্রেণী মিলিয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১০ জন। বিদ্যালয়ের তিন পাশেই ধানক্ষেত আর বসতী বাড়ীঘর। আরেক পাশে রয়েছে একটি পুকুর। প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে শিশুদের একটি মাত্র রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের করতে হয়।
বিদ্যালয়ের যাতায়াতের রাস্তা মধ্যে একটি খাল দ্বারা বিভক্ত খালটির উপর বাশের সেতু দিয়েই যাতায়াত করতে হয় কোমলমতি শিক্ষাথীদের। উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আংগুটিয়া গ্রামে অবস্থিত বিদ্যালয়ে বাশের সেতু দিয়ে রাস্তা পার হওয়ায় শিক্ষার্থীরা অনেক সময় খালে পড়ে গিয়ে কাপড়, বই ভিজিয়ে ফেলে।
আংগুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী তুয়া আক্তার জানায়, স্কুলে আসার রাস্তা ভাঙ্গা থাকায় বাঁশ দিয়ে বানানো ব্রীজ পেরিয়ে স্কুলে আসে ছাত্রছাত্রীরা। ব্রীজ পার হওয়ার ভয়ে স্কুলে আসে না অনেকে। প্রতিদিন তাদের ক্লাসে মাত্র ৫ থেকে ৬ জন ছাত্রছাত্রী আসে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অভিভাবক মারিয়া আক্তার শিউলি বলেন, স্কুলে যাওয়ার একটি রাস্তা মধ্যে কালভার না থাকায় বাচ্চারা স্কুলে যেতে চায় না। বাচ্চাকে স্কুলে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকি, খালে পড়ে যায় কি না। এ জন্য মাঝে মধ্যে স্কুলে গিয়ে বাচ্চার জন্য বসে থাকতে হয়।
আংগুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শওকত আলী বলেন, খালের উপর কালভার্ট না থাকায় অনেক ভোগান্তি হয়। স্কুলে ছাত্র ছাত্রীরা আসতে চায় না। অভিভাবকরা বাচ্চাদের দিতে চান না। বর্ষা মৌসুমে আরো বেশি সমস্যা হয়।
বাশের সেতু দিয়ে আসতে গিয়ে পানিতে পড়ে বইখাতা ভিজে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতার এক লক্ষ টাকা দিয়ে খালের উপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করে ছিলাম তাও বর্ষায় ভেঙ্গে গিয়েছে। তারপর ভাঙ্গা স্থানে বাশ দিয়ে সেতু তৈরি করা হয়েছে। ভাঙ্গা স্থানে মাটি দিয়ে ভরাট অথবা একটি কালভার্ট করে দিলে ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের চলাচলে সুবিধা হবে।
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হোসেন বলেন, আমি সবেমাত্র যোগদান করেছি। বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের মধুখালী থানা এলাকায় অভিযান চাল...
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি সুবিধা দেয়ার প্...
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভি...
দিনাজপুর প্রতিনিধি: কোন কারন ছাড়াই দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগ...
পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার চাটমোহর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী নিয়...

মন্তব্য (০)