• লিড নিউজ
  • আন্তর্জাতিক

‎হরমুজ-লোহিত সাগর সংকটে ব্যয় বাড়ছে জ্বালানি আমদানিতে ‎

  • Lead News
  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

‎নিউজ ডেস্কঃ ইরানি ড্রোন হামলায় হরমুজ বন্ধের পর এবার হুতিদের হামলায় বন্ধের পথে লোহিত সাগরও। এতে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের আমদানিতে। লোহিত সাগর এড়িয়ে প্রায় ১৩ হাজার নটিক্যাল মাইল ঘুরে তেল আনতে হচ্ছে। এতে বাড়তি সময় যেমন লাগছে তেমনি অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে পাঁচ মিলিয়ন ডলার।

‎মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের হরমুজ প্রণালি বন্ধের পর, এবার নতুন করে হুতিদের হামলায় বন্ধের পথে লোহিত সাগরও। এ পথেই সৌদি আরব ও আরব আমিরাত থেকে তেল আমদানি করছিল বিপিসি।
‎
‎কিন্তু এবার সে পথও বন্ধ হয়ে গেল হুতিদের ড্রোন আক্রমণে। এতে অনিশ্চয়তায় পড়েছে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল। যার সরাসরি ধাক্কা লেগেছে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে।
‎
‎বিএসসি জানায়, গত ২৩ জুলাই সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর টার্গেট করে হুতিরা। সেখানে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে অপেক্ষা করছিল বিপিসির এমটি নিনেমিয়া জাহাজ। সৌদি কর্তৃপক্ষ জাহাজটিকে দ্রুত বন্দর ত্যাগ করতে বলে।
‎
‎স্বাভাবিক সময়ে লোহিত সাগর হয়ে চার হাজার নটিক্যাল মাইল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসতো ১৩ থেকে ১৫ দিনে। কিন্তু এখন উল্টো পথে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে ১৩ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এতে ৩৪ দিন সময় বেশি লাগার পাশাপাশি খরচ বাড়ছে অন্তত পাঁচ মিলিয়ন ডলার।
‎
‎বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ‘ইয়ানবু পোর্ট কন্ট্রোল বলল যে, জাহাজ এখানে রাখা যাবে না এবং সব তেলবাহী জাহাজকেই তারা ওখান থেকে ডিসচার্জ, মানে ওখান থেকে লিভ করতে বলেছিল। এক লাখ টন তেল নিয়ে যদি কোনো ধরনের কোনো ডিস্ট্রাকশন, কোনো ড্যামেজ বা স্পিলেজ বা স্পিলওভার ইফেক্ট হয় বা কোনো কিছু হয় এই ধরনের, এটার ইন্টারন্যাশনাল কনসিকুয়েন্সে এক লাখ ক্রুড অয়েল যদি সমুদ্রে ভাসতে থাকে, এটার যে ইররেপারেবল এবং অ্যাবসলিউটলি ক্যাটাস্ট্রফিক ইমপ্যাক্ট।’
‎
‎শিপিং এজেন্ট জানান, হুতিদের আক্রমণে জাহাজটি এ পথে আনতে নারাজ মালিকপক্ষ। তাই ঝুঁকি এড়াতে দীর্ঘ পথ বেছে নেয়া হয়। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে খরচ আরও বাড়ার আশঙ্কার কথাও জানান তিনি।
‎
‎প্রাইম ওশান ট্রেড লিমিটেডের পোর্ট ক্যাপ্টেন বেলার উদ্দিন আ. চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের একটা যেটা এস্টিমেশন ছিল, এরাউন্ড পাঁচ মিলিয়ন ডলারের মতো একটা এডিশনাল একটা এস্টিমেট আমরা করেছি। এটা মোর অর লেস, এটা তো আসলে একটু বুঝতে সময় লাগবে। কারণ এটা বাড়তে পারে, কমতে পারে।’
‎
‎শুধু তেলের সংকট নয়, যুদ্ধের কারণে এ পথে কনটেইনার পণ্য পরিবহনও বন্ধ রেখেছে বিশ্বের বড় বড় শিপিং লাইনগুলো। ফলে বিভিন্ন বন্দরে আটকা পড়েছে রপ্তানি পণ্যবাহী হাজার হাজার কনটেইনার।
‎
‎এমএসসি শিপিংয়ের হেড অব অপারেশন আজমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, ‘হরমুজটা একটা এনডেঞ্জারড একটা পজিশনে চলে গেল, যার কারণে আমরা মিডেল ইস্টের যে কাভারেজটা, সেটা পুরোপুরি আমাদের বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে রেড সি অঞ্চলের যে কান্ট্রিগুলো, সেটার অনেকগুলো কার্গো, প্রায় আমাদেরও এক হাজার টিইইউস এর মতো কার্গো, যেটা কলম্বোতে পড়ে আছে, সেটা সৌদি আরব অথবা দুবাই এই জায়গাগুলোতে যাওয়ার কথা ছিল, সেটা যেতে পারছে না।’
‎
‎সাম্প্রতিক সময়ে তেল নিয়ে পরপর তিনটি জাহাজ আসায় আপাতত সংকট নেই বলে জানায় বিএসসি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এতে বিকল্প উৎসের সন্ধান বা পরিশোধিত তেল বেশি কিনতে হতে পারে বিপিসিকে।

মন্তব্য (০)





image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ

১

নিউজ ডেস্ক : ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ প্রায় সাত মাসে গড়িয়...

image

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ দিনের রোডম্যাপ দিল ইরান

২

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামানো এবং আন্...

image

প্রতিপক্ষের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে ইরানের যে প্রযুক্তি

৩

নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক চোখধ...

image

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে গ্যাংস্টারের, পাহারা...

৪

নিউজ ডেস্ক : পুরোহিত হন্তদন্ত হয়ে মন্ত্র পড়ছিলেন আর অগ্নিকুণ...

image

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ দিনের রোডম্যাপ দিল ইরান

৫

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামানো এবং আন্...

  • company_logo