• লিড নিউজ
  • জাতীয়

নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, জাতিকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হলে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের বিদেশে পাঠাতে হবে এবং দেশের ভেতরেও দক্ষ করে তুলতে হবে।
‎
‎তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উপযুক্ত করে গড়ে তোলার মাধ্যমে আগামী দিনে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এক নতুন বাংলাদেশ।
‎
‎আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‎
‎শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ এর প্রদর্শনী ও চূড়ান্ত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‎
‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় সেরা ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং ইনোভেশন স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন।
‎
‎ড. মিলন বলেন, ‘দেশের খুদে বিজ্ঞানীদের মেধা ও প্রজেক্টগুলো দেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে মুগ্ধ ও বুঁদ হয়েছিলেন, তা ছিল সত্যিই ‘বিয়ন্ড ইমাজিনেশন’ বা কল্পনাতীত।
‎
‎শিক্ষা ও কারিগরি খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর কারিগরি শিক্ষায় ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি জানেন, এই জাতিকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হলে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে।’
‎
‎শিক্ষা খাতের অতীতের নানা সংকটের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিগত আমলে শিক্ষা খাতে যে স্থবিরতা, অব্যবস্থাপনা ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছিল, বর্তমান সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছায় শিক্ষা খাতের প্রয়োজনীয়তার ওপর ভিত্তি করে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। আমাদের এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা এর সুফল পাবে।
‎
‎খুদে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তোমরা এমন একজন দূরদর্শী নেতা পেয়েছো, যার নেতৃত্বে আগামী দিনে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এবং আমরা বিশ্বকে দেখাবো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
‎
‎শিক্ষামন্ত্রী দেশের এই প্রযুক্তিগত বিপ্লবের ধারা অব্যাহত রাখতে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্তি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।
‎
‎পুরস্কার বিতরণের আগে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী সেরা ১০টি দলের খুদে বিজ্ঞানীরা সরাসরি মঞ্চে এসে প্রধানমন্ত্রীর সামনে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।
‎
‎খাগড়াছড়ির এক পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থী বলেন, ‘দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে এসে আজ এই জাতীয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারাটা আমাদের জন্য স্বপ্নের মতো। প্রান্তিক অঞ্চলেও যে অসংখ্য মেধা লুকিয়ে আছে, আজকের এই আয়োজন তা প্রমাণ করেছে।’
‎
‎চট্টগ্রাম থেকে আসা অনুষ্ঠানের সর্বকনিষ্ঠ এক খুদে শিক্ষার্থী (সপ্তম শ্রেণি) প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলে, ‘এখানে এসে দেখতে পেলাম আমাদের দেশের খুদে বিজ্ঞানীরা কত বড় বড় উদ্ভাবন করতে পারে। আমরাই এই বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
‎
‎বরিশাল পটুয়াখালীর একটি মাদ্রাসা থেকে আসা এক শিক্ষার্থী মেধা বিকাশের সমান সুযোগ পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরাও সঠিক দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বিজ্ঞান গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে বড় অবদান রাখতে পারে।’
‎
‎শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মাইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
‎
‎অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষক ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে গত ১২ জুন সারা দেশে শুরু হয় ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’।
‎
‎ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচি উপজেলা-থানা, জেলা এবং জাতীয়Ñ এই তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। আজকের অনুষ্ঠানে প্রতিটি ধাপের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
‎
‎বিজয়ী শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক দলকে ২০ হাজার টাকার চেক, পদক ও সনদপত্র এবং বিজয়ী শিক্ষকদের ৩০ হাজার টাকার চেক ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

মন্তব্য (০)





image

নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না: ডাক ও টেলিযোগাযোগ...

১

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে...

image

বেটোপিয়া ইস্যুতে কড়া অবস্থানে বেসিস, বাতিল হতে পারে সদস্যপদ

২

নিউজ ডেস্ক : ফ্রিল্যান্সিং খাতে বেটোপিয়া গ্রুপকে ঘিরে ওঠা গু...

image

সয়াবিন তেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা

৩

 নিউজ ডেস্ক : সিন্ডিকেটের কারসাজিতে ফের বাড়তির দিক...

image

সারা দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

৪

নিউজ ডেস্ক : দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্য...

image

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের পুনর্বিবেচনাসহ...

৫

নিউজ ডেস্ক : ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি আবার যাচাই ...

  • company_logo