• লিড নিউজ
  • জাতীয়

‎দেশকে কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতিতে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য: মুক্তাদির

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশকে আরও বিনিয়োগযোগ্য, প্রতিযোগিতামূলক ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতিতে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য।
‎
‎তিনি বলেন, ‘এ লক্ষ্যে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতিতে যত বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা থাকবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তত বেশি বিস্তৃত হবে এবং ক্রয় ক্ষমতাসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবাহ শক্তিশালী হবে।’
‎
‎আজ রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: এসএমই খাতের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
‎
‎ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
‎
‎বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক সুমারী অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার অধিকাংশই এমএসএমই খাতের। জাতীয় জিডিপিতে এ খাতের অবদান ৩৪ শতাংশ।
‎
‎এ সময় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, আগামী বাজেটে এমএসএমই খাতের জন্য প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
‎
‎তিনি বলেন, এর মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি স্টার্টআপ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমির জন্য ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে।
‎
‎মন্ত্রী বলেন, সরকার ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ কর্মসূচি, জাতীয় ডিজাইনার পুল গঠন, এসএমই ক্লাস্টার ম্যাপিং হালনাগাদ, যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্টার্টআপ সহায়তা, মেন্টরশিপ, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা ডাটাবেজ তৈরিসহ নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
‎
‎এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি সূচকই পূরণ করেছে। তবে উত্তরণকে টেকসই করতে আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
‎
‎শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী আরও বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে বিদ্যমান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি সরকারি মালিকানাধীন অকার্যকর শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পর্যায়ক্রমে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
‎
‎তিনি বলেন, আমদানিনির্ভর পণ্য ও জ্বালানির জন্য কৌশলগত মজুত (স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ) গড়ে তোলা হবে, যাতে বৈশ্বিক সংকট বা সরবরাহ বিঘিœত হলেও দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকে।
‎
‎লজিস্টিক ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের লজিস্টিক ব্যয় জিডিপি’র প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় ১০ শতাংশ। বন্দর ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ চেইন দক্ষতা ও পণ্যের ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিতের মাধ্যমে এ ব্যয় কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্তব্য (০)





image

সঠিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দেশ গঠনে সহযোগিতা করুন: প্রত...

১

নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলে উৎসবমুখর পরিবেশে টাঙ্গাইল জেলা ট...

image

নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না: ডাক ও টেলিযোগাযোগ...

২

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে...

image

বেটোপিয়া ইস্যুতে কড়া অবস্থানে বেসিস, বাতিল হতে পারে সদস্যপদ

৩

নিউজ ডেস্ক : ফ্রিল্যান্সিং খাতে বেটোপিয়া গ্রুপকে ঘিরে ওঠা গু...

image

সয়াবিন তেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা

৪

 নিউজ ডেস্ক : সিন্ডিকেটের কারসাজিতে ফের বাড়তির দিক...

image

সারা দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

৫

নিউজ ডেস্ক : দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্য...

  • company_logo