• লিড নিউজ
  • আন্তর্জাতিক

মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে

  • Lead News
  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে চলমান তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকটের মধ্যে দলটির অন্যতম পরিচিত সাংসদ সায়নী ঘোষ বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম সোচ্চার সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই নেত্রীর অবস্থান পরিবর্তন দলটির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, যাদবপুরের এই সাংসদ এখন সেই ২০ জন সাংসদের দলে রয়েছেন, যারা বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির এক মাসের মধ্যে সংসদে পৃথক গোষ্ঠী গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ওই ২০ জন সাংসদ সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটকে (এনডিএ) সমর্থনের প্রস্তাব দেন। এতে সংসদে তৃণমূলের ভেতরে বড় ধরনের বিভাজন প্রকাশ্যে আসে।

খবরে বলা হয়েছে, সায়নী ঘোষ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং বিদ্রোহী শিবিরের সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথিতেও স্বাক্ষর করেছেন। সূত্রগুলোর দাবি, তিনি বর্তমানে কলকাতায় নেই এবং দিল্লিতে অবস্থান করতে পারেন, যেখানে বিদ্রোহী সাংসদরা অবস্থান করছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আরেক সাংসদ মালা রায়ও দিল্লিতে গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সায়নী ঘোষের এই অবস্থান পরিবর্তন বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম বিশ্বস্ত সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সম্প্রতি তাকে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভানেত্রীর দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।

সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘দিদি জিতলে বাংলা জিতবে।’

অন্য এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, তিনি কখনোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে যাবেন না।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তার বর্তমান অবস্থান আরও বিস্ময়কর কারণ তিনি বরাবরই বিজেপি ও এনডিএর কঠোর সমালোচক ছিলেন। নারী সংরক্ষণ বিলসহ বিজেপির বিভিন্ন নীতির বিরোধিতা করেছিলেন তিনি। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা এবং বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগও তুলেছিলেন একাধিকবার।

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পরও তিনি দাবি করেছিলেন, দলটি প্রকৃত অর্থে নির্বাচনে হারেনি। তার ভাষায়, ‘আমরা হারিনি। ভোট চুরি ও লুটপাটের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করা হয়েছে। ২০২৯ সালে বাংলার মানুষ এবং দেশের মানুষ, আর ২০৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মা-মাটি-মানুষ এর জবাব দেবে।’

নির্বাচনি প্রচারণার সময় আগুনঝরা বক্তৃতার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিলেন সায়নী ঘোষ। তবে বিভিন্ন বিতর্কও তাকে ঘিরে ছিল। 

তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরে সাম্প্রতিক বিদ্রোহ, একাধিক সাংসদের পদত্যাগ এবং দলীয় বিভক্তির ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য (০)





image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ

১

নিউজ ডেস্ক : ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ প্রায় সাত মাসে গড়িয়...

image

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ দিনের রোডম্যাপ দিল ইরান

২

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামানো এবং আন্...

image

প্রতিপক্ষের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে ইরানের যে প্রযুক্তি

৩

নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক চোখধ...

image

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে গ্যাংস্টারের, পাহারা...

৪

নিউজ ডেস্ক : পুরোহিত হন্তদন্ত হয়ে মন্ত্র পড়ছিলেন আর অগ্নিকুণ...

image

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ দিনের রোডম্যাপ দিল ইরান

৫

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামানো এবং আন্...

  • company_logo