ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : বিটরুটকে একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও কম ক্যালোরিযুক্ত সুপারফুড হিসেবে ধরা হয়, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ। সাধারণভাবে এটি সবার জন্যই উপকারী হলেও বিশেষ করে নারীদের জন্য এর স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব আরও বেশি বলে বিবেচিত হয়।
বিটরুটে থাকা ফোলেট নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যে সহায়তা করে এবং গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন এমন নারীদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক গুণ ত্বকের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, ক্লান্তি কমায় এবং ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনতে সাহায্য করে।
নিয়মিত বিটরুট খেলে এটি শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে, ফলে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে মাসিকের সময় যখন শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, তখন এটি উপকারী হতে পারে।
হৃদস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও বিটরুট উপকারী। এটি রক্তনালীকে প্রসারিত করতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, ফলে হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বিটরুট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্ত পরিশুদ্ধ করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যার ফলে ত্বক আরও সতেজ ও উজ্জ্বল দেখাতে পারে।
এছাড়া বিটরুটের রস শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং ক্লান্তি কমিয়ে শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়। গর্ভাবস্থায়ও এটি উপকারী, কারণ এতে থাকা ফোলেট শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের সঠিক বিকাশে সহায়তা করে।
তবে বিটরুট খাওয়ার কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এটি খেলে অনেক সময় প্রস্রাব বা মল লালচে হতে পারে, যা স্বাভাবিক এবং ক্ষতিকর নয়। কিন্তু যাদের কিডনিতে পাথরের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বিটরুটের উচ্চ অক্সালেট উপাদান ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাই সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নিউজ ডেস্কঃ ডায়াবেটিস থাকলে কী খাবেন আর কী খাবেন না এ নিয়ে...
লাইফস্টাইল ডেস্ক: বাজারে এখন রুপালি ইলিশের ছড়াছড়ি। কিন্...
নিউজ ডেস্ক : ধমনিতে ব্লকেজ বা চর্বি জমে রক্তনালি সরু হয়ে যাওয়া একটি অত্য...
নিউজ ডেস্ক : দাঁতের সবচেয়ে বাইরের ও শক্ত স্তর হলো এনামেল, যা দাঁতের স্বা...
নিউজ ডেস্ক : দিনের শেষভাগে কাজের গতি কমে আসা খুব ...

মন্তব্য (০)