• লিড নিউজ
  • জাতীয়

ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

  • Lead News
  • জাতীয়

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক : সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের (কর্মকাণ্ডের) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন ও দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে।

রিটে এসব বিষয়ে কমিশন গঠন করে ইনকয়ারি (অনুসন্ধান) করার আর্জি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ রোববার (৩ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন। রিটে কেবিনেট সচিব ও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটের বিষয়টি সোমবার (০৪ মে) নিশ্চিত করেন সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ নিজে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আজ দুপুর একটায় ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

এর আগে শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। ওই রিট আবেদন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিলেন। এর পর তিনি ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছিলেন।

২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীর লিভ টু আপিলটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর পর আবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন। একই সঙ্গে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথের আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চেয়ে রেফারেন্স পাঠান।

রাষ্ট্রপতির বিশেষ রেফারেন্স অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ ওই বছরের ৮ আগস্ট মতামত দেন। সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে পারবেন এবং তাদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

মন্তব্য (০)





image

বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর পাশ...

image

জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা; তদন্ত কমিটি গঠন...

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আনুমানিক বিকেল ৩:১৫ ঘটিকায় জাতীয় সংসদ&nb...

image

জ্বালানি সংকট কাটাতে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বি...

image

মাত্র ১২৫ টাকায় কোনো উৎকোচ ছাড়াই চাকরি পেয়েছি—নতুন পেশকার...

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ (২৮ জুলাই) ঢাকার তেজগাঁও ভূমি ভবনের ভূম...

image

মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চ...

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্...

  • company_logo