• সমগ্র বাংলা

পাবনায় ভ্যাপসা গরম ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় ভোগান্তি

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনায় কয়েক দিন ধরে বেড়েছে লোডশেডিং। দিনে-রাতে কয়েকবার করে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। একদিকে ভ্যাপসা গরম ও অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় ভোগান্তির শেষ নেই তাদের। বিশেষ করে পরীক্ষার্থী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের দুর্ভোগ বেড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

ভুক্তভোগীরা জানান, দিনে চার থেকে পাঁচবার এবং রাতে তিন থেকে চারবার করে লোডশেডিং দিচ্ছে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ। শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি লোডশেডিং চলছে। এমন অবস্থায় আসন্ন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। এ ছাড়া ধর্মীয় উপাসনা কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। গরমে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপনে ভোগান্তি বেড়েছে।

পাবনা শহরের কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন বলেন, ‘ক্রেতারা দোকানে এসে যদি দেখে বিদ্যুৎ নেই, তখনই উঠে চলে যায়। বলে বিদ্যুৎ আসুক তারপর দোকানে আসব। এভাবে ব্যবসা হয় বলেন ভাই? দিনে কমপক্ষে চার-পাঁচবার করে বিদ্যুৎ চলে যায়। ঠিকমতো ব্যবসাই করতে পারছি না।’

মুদিখানা ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যুৎ ঠিকমতো না থাকলে এই গরমে বসে থাকাই কঠিন। বেচাকেনাও কমে গেছে। হাতপাখা দিয়ে আর কতক্ষণ বাতাস নেওয়া যায়। একদিকে গরম, আরেক দিকে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় আর বাঁচি না।’

চাটমোহর উপজেলার বেসরকারি চাকরিজীবী শামীম হোসেন বলেন, ‘সামনে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। লোডশেডিংয়ের কারণে বাচ্চারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে লোডশেডিং কমিয়ে আনা উচিত।’

পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল আমিন চৌধুরী সিএনআইকে বলেন, ‘একদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। অন্যদিকে আমরা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি না। গত কয়েক দিন আগে লোডশেডিং দিতে হয়েছে। তবে শনিবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। লোডশেডিং অনেকটা কমেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রোববার আমাদের চাহিদা ১০৩ মেগাওয়াটের বিপরীতে পেয়েছি ৮৭ মেগাওয়াট। আর কয়েক দিন আগে চাহিদার তুলনায় ৭০ ভাগ বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম। যে কারণে লোডশেডিং করতে হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে যেমন দেয়, আমরা সেটাই সরবরাহ করি। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।’

এপ্রিলের শুরু থেকে পাবনায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। বাইরে বের হলে কড়া রোদে একমুহূর্ত দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না। শরীর বেয়ে দরদর করে ঘাম ঝরছে। রোদের তীব্রতায় বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন বলেন, বর্তমানে পাবনার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। এর মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে কিছু এলাকায় বৃষ্টি হলেও গরম কমছে না।

মন্তব্য (০)





image

মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল ১ কোটি টাকার কষ্টিপাথরের মূর...

১

ফরিদপুর প্রতিনিধি: রান্নাঘরের মাটির নিচে লুকানো ছিল অলংকার আ...

image

পাবনায় এবার তৃতীয় শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ...

২

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলায় শিশু কলি ধর্ষণ ও হত্যার ...

image

পথশিশুদের ‘স্ট্রিট টু এসএসসি’ যাত্রায় মজার ইশকুল পেল প্রজ...

৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আওত...

image

পাবনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাফিউল হত্যা মামলায় হয়রানীর অভ...

৪

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র ...

image

নড়াইলে ক্রয়কৃত জমি দখলে বাধা, সংবাদ সম্মেলনে সমীর কুরী

৫

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল সদর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় দলিলমূল...

  • company_logo