ছবিঃ সংগৃহীত
পাবনা প্রতিনিধিঃ আগামী ১৩ এপ্রিল শুরু হচ্ছে পাবনার চাটমোহরের বোঁথর গ্রামের মহাদেব মন্দির প্রাঙ্গনে তিন দিনব্যাপী চড়কপূজা ও মেলা। এই পূজা ও মেলা হিন্দুদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন বড়াল নদের তীরের বোঁথর গ্রামটি হয়ে ওঠে তীর্থ ক্ষেত্রের কেন্দ্রবিন্দুতে। সিন্ধু সভ্যতা থেকেই এই চড়ক পূজা ও মেলা চলে আসছে।
শুদ্র হিন্দু সম্প্রদায়ের মুক্তির বার্তা নিয়ে মহাদেবের আবির্ভাব হয়। সে সময় উচ্চবর্ণের হিন্দু দ্বারা নিম্নবর্নের হিন্দু নিগৃহিত হতো। ব্রাম্মণবাদের বিলোপ হলে বর্নহিন্দুরাও এতে সম্পৃক্ত হয়। রুপ নেয় সার্বজনীনতায়। মূলতঃ এ পূজার প্রচলন হয় বান রাজার আমল থেকে। শত শত বছর ধরে এই পূজা ও মেলা চলে আসছে।
২২ চৈত্র সন্ধ্যায় পাঠ ঠাকুরের পাঠে ধূপ দিয়ে শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। বোঁথর শিব মন্দির থেকে পাঠ নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ি বাড়ি। ২৬ ও ২৭ চৈত্র মাঝ রাত থেকে ফুলভাঙ্গা বা কালিনাচ শুরু হয়। তারপর প্রতিমা আসনে বসে। মেলা হয় চৈত্র মাসের শেষ দুইদিন ও বৈশাখ মাসের প্রথম দিন। আগে নাকি মেলা হতো সপ্তাহব্যাপী। পূজার দ্বিতীয় দিন গোধূলি লগ্নে চড়ক গাছ আনুষ্ঠানিকভাবে পোঁতা হয়। এরআগে চড়ক গাছে পূজা দেওয়া হয় দুধ, ফুল ও চিনি দিয়ে। মঙ্গলার্থে ভক্তরা বাতাসা ছিটায়। চড়ক পূজা উপলক্ষে দোলবাড়িতে মহাদেব আসনে তোলা হয় ২৮ চৈত্র।
বোঁথর একটি গ্রাম। চাটমোহর পৌর শহর সংলগ্ন বড়াল নদের পাড়ের এই গ্রামটি নিয়ে রয়েছে নানা কাহিনী। চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে এই গ্রামটি। দেশ-বিদেশের অনেকেই আসেন বোঁথরের চড়কপূজা ও মেলায়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরি হয় এই আয়োজনকে ঘিরে। পূজা উপলক্ষে হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে সকলের সামিল হয় সার্বজনীন এই আয়োজনে। এবারও বোঁথর মন্দির ও মেলা কমিটি আয়োজনকে সুন্দর করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। প্রশাসন নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে।
পাবনা প্রতিনিধি : সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সালথায় ভ্যানচালককে মারধরের ঘটন...
লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটে রেললাইনের পাশে জরাজ...
পাবনা প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহ...
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহর ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের আয়ো...

মন্তব্য (০)