• সমগ্র বাংলা

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটে আরাকান আর্মির কান্ড : ধরে নিয়ে গেছে ৩ টি নৌকাসহ ১৩ জন জেলে

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সংগৃহীত

কক্সবাজার প্রতিনিধি : টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন নৌ পথের নাইক্ষ্যংদিয়া  থেকে তিনটি নৌকাসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা।

শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭ টার দিকে মিয়ানমার সীমান্ত উপকূল নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা দিয়ে নাফনদী ও বঙ্গোপসাগরে  মাছ শিকারে যাতায়াত কালে তাদের ধরে নিয়ে যায়। এ সময়

একটি নৌকার মালিক মলাই কালুকে ধাওয়া করে এবং এক পর্যায়ে তাকে গুলি ছুড়ে আহত করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মালই কালুসহ নৌকার ৪ জন জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। এ ছাড়া নৌকার মালিক মোস্তাফিজুর রহমানসহ ৫ জন ও মীর কাসেমসহ ৪ জন জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। এসময় সাগর ও নদীতে মাছধরারত আরো ২০ থেকে ২৫ টি নৌকাসহ মাঝিমাল্লারা সাগরে জাল ফেলে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে আসে। সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, আরাকান আর্মির কারণে নাফ নদী দিয়ে সাগরে  মাছ শিকারে যাওয়া ঝুকিপূর্ণ  হয়ে পড়েছে। এ ঘটনা বন্ধে সরকারের সহায়তা কামনা করছেন তিনি। 

জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে  শাহ্পরীর দ্বীপ পশ্চিম পাড়া জেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক  আব্দুল গফুর বলেন, ভোর ৪টার সময় তাদের ঘাটের ইঞ্জিনচালিত কিছু নৌকা নাফ নদের মোহনায় মাছ শিকারে যায়। সকাল ৭টার দিকে কয়েকটি নৌকাকে স্পিডবোট নিয়ে ধাওয়া করে আরাকান আর্মি। পরে অস্ত্রের মুখে ৩টি নৌকাসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় তারা। আটক জেলে পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শাহপরীর দ্বীপ  ডাঙ্গর পাড়ার মালই কালু নামের এক নৌকার মালিক  গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। 

মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে আটক ৩টি নৌকার  হচ্ছেন, নৌকার মালিক মো. মালই কালু মিয়া (৫৫), মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৪০), মো. মীর কাশেম আলী (৪০) এবং ১০ জেলে হচ্ছেন মো. ফরিদ হোসেন (৩০), মো. রবিউল হাসান (১৭), মো. কালাম (৩০), মো. হোসেন আম্মদ (৩৮),  মো. সালাউদ্দিন (১৮), মো. মহিউদ্দিন (২২), মো. আবু তাহের ( ৪০), মো. আবদুল খালেক,  মো. জাবের মিয়া (২৪) ও মো. গিয়াস উদ্দিন।

তাদের সবার বাড়ি টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহ্পরীর দ্বীপ ৭ নম্বর ওয়ার্ড মাঝের পাড়া এবং ডাঙ্গর পাড়া গ্রামের বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান। তিনি জানান,  ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা প্রতিদিনের মতো মাছ শিকারে গেলে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করার অজুহাতে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি বিজিবি, কোস্ট গার্ডে ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে ।  মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে সাগর ও নদীতে বারবার নৌকাসহ বাংলাদেশী জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ায় জেলে পরিবার  ও স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারাহ বেগম তাজকিয়ার সাথে মোবাইল সংযোগ না পাওয়ায় নৌকাসহ আটক  জেলেদের পরিবার গুলোকে কোন সাহায্য সহযোগিতা করার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইনামুল হাফিজ নাদিম বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে মাছ ধরতে যাওয়া নৌকা ও জেলেদের 

তবে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে নৌকার মালিক ও জেলে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নৌকা ও জেলেদের ফিরিয়ে  আনার জন্য যথাযথ   ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ইউএনও।

মন্তব্য (০)





image

পাবনায় ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের শোকজ

পাবনা প্রতিনিধি : ‎মৌলিক স্বাক্ষরতা ও সংখ্যা জ্ঞান ...

image

জন্মের ৪০ দিন পর বাবার মৃত্যু, ৬ মাস বয়সে মায়ের পরিত্যাগ,...

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : জন্মের মাত্...

image

নওগাঁয় একই স্কিমে দুটি গভীর নলকূপ, এক দশক পানি সেচের দ্বন...

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের ...

image

নজরুলের চেতনা সবখানে ছড়িয়ে দিতে হবে : লতিফুল ইসলাম শিবলী

পাবনা প্রতিনিধি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নি...

image

কুমিল্লায় প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি

কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন সম...

  • company_logo