• জাতীয়

‎শুমারি থেকে বাদ পড়েছে ৩ লাখ ৬৫ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিআইডিএস

  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ অর্থনৈতিক শুমারির গণনা থেকে বাদ পড়েছে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালে করা অর্থনৈতিক শুমারিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছিল এক কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি।  কিন্তু পরে আবার খোঁজ নিয়ে জানা যায় এক কোটি ২২ লাখ ৪২ হাজার ৮৩৬টি। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) শুমারিরর পর এই পোস্ট ইনুমারেশন চেকের কাজটি করেছে।

‎সোমবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে সংস্থাটি। রাজধানীর আগারগাঁও এ বিআইডিএস  সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত  হয় প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠান।

‎বিআইডিএসের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. একে এনামুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব আলেয়া আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিকল্পনা সচিব এসএম শাকিল আকতার এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, বিআইডিসের গবেষণা পরিচালক ড. মোহাম্মদ ইউনূস।

‎প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১০-২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের ৮৭ হাজার ৬২৯টি অর্থনৈতিক এলাকা থেকে অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। এবার ২০২৫ সালের ২৮ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত ৩৫২টি এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হয় পোস্ট ইনুমারেশন চেকের সময়।

‎প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে মূল শুমারি থেকে পোস্ট ইনুমারেশন চেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত ভুল গ্রহণযোগ্য। কিন্তু অর্থনৈতিক শুমারিতে ভুল হয়েছে ২ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এটা স্বস্তিদায়ক।

‎ড. ইউনূস প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় বলেন, সবচেয়ে বেশি বাদ পড়েছে দেশের ১১টি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, শহরে অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিক তথ্য দিতে অসহযোগিতা করেছে। উপজেলা পর্যায়ে বাদ পড়েছে ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং পৌরসভা এলাকায় ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বাদ পড়েছে।

‎প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মোট যে পরিমাণ ভুল হয়েছে এর মধ্যে শহর এলাকায় ভুল হয়েছে ৩ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং গ্রাম এলাকায় ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। বিভাগীয় পর্যায়ে দেখলে সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান বাদ পড়েছে ঢাকা বিভাগে আর সবচেয়ে কম বাদ পড়েছে সিলেট বিভাগে।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলেয়া আক্তার বলেন, প্রতিবেদনটি অনেক ভালো হয়েছে। অল্প কথায় পুরো বিষয়টি তুলে এনেছে বিআইডিএস। তবে শুমারির জন্য বরাদ্দ দিতে পরিকল্পনা কমিশন কাটাকাটি করে সবসময় সেটি ঠিক হয় না। প্রশিক্ষণ ও গণনাকারীদের সম্মানির ক্ষেত্রে হীনমান্যতা থাকা উচিত নয়। এজন্য কিছু গাইডলাইন থাকা দরকার।

‎বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসএম শাকিল আকতার বলেন, আমরা অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। এর মধ্যেও যে ৩ শতাংশের নিচে ভুল ধরা পড়েছে বলে আমি খুশি। কেননা শুমারির সময় অনেক পোশাক কারখানার মালিক তথ্য দেননি। এছাড়া বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে  সীমাবদ্ধতা ছিল। বিশেষ করে যারা গণনাকারী ছিলেন তাদের সম্মানি ছিল কম। যদিও তারাই শুমারির মূল কাজটি করে থাকেন। এর পর থেকে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। বিআইডিএসের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

‎মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, গত বছরের আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ডিসেম্বরে আমরা তথ্য সংগ্রহ করেছি। তখন অনেক কর্মকর্তা বদল হয়েছিল, অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিক পালিয়েছিলেন। এমন পরিস্থিতেও অর্থনৈতিক শুমারিটি অনেক ভালোভাবে শেষ করা হয়েছে।

মন্তব্য (০)





image

বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ: ভারপ্...

নিউজ ডেস্ক : জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়...

image

চীনের এআই জোটে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্কঃ ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কো-অপারেশন ...

image

মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে পাওয়া ব্যাগে জর্দার কৌটা ও পান ছ...

নিউজ ডেস্কঃ মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাও...

image

তৃণমূলের ক্রীড়া প্রতিভা বিকশিত করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহ...

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ-মোকামতলা) আসনের সকল স...

image

‎দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন...

নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শীর্ষ ব্যবস...

  • company_logo