• লিড নিউজ
  • জাতীয়

প্রশ্ন টিআইবির অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনা কেন

  • Lead News
  • জাতীয়

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক : কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে সংঘটিত গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্ত সাংবিধানিক অঙ্গীকার ও আইনের সমান প্রয়োগের মানদণ্ডে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করছে টিআইবি। সংস্থাটি এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি ‘বৈষম্যমূলক’ এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের ঠিক কোন বিবেচনায় ও যুক্তিতে অন্য অভিযুক্তদের থেকে পৃথক ব্যবস্থাপনায় রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সে বিষয়ে সরকারের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে সংস্থাটি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়ায় ব্যক্তির পেশাগত পরিচয় বা পদমর্যাদা বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ নেই। এভাবে কাউকে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান বা মূল্যায়ন, ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।

অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যদি যথানিয়মে বেসামরিক কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যবস্থায় কারা হেফাজতে থাকতে পারেন, তাহলে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের জন্য আলাদাভাবে বিশেষায়িত সাব-জেলের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, এই আচরণ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে, সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে বিভ্রান্তির ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে উল্লি­খিত ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইনের মৌলভিত্তি অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কেউই বিশেষ কোনো সুবিধা লাভের উপযোগী নয়, যা সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’

বাংলাদেশ রোম স্ট্যাটিউট অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট স্বাক্ষরকারী দেশ উলে­খ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘যার ২৭ ধারায় (ইররেলিভেন্স অব অফিশিয়াল ক্যাপাসিটি) বলা আছে, ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় ও সামরিক অবস্থান নির্বিশেষে অভিযুক্তরা বিচারপ্রক্রিয়ায় বিশেষ কোনো সুবিধাপ্রাপ্ত হবে না। একইভাবে নুরেমবার্গ প্রিন্সিপল, যা আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত আইনের ভিত্তি হিসাবে বিবেচনা করা হয়, এর পিন্সিপল-৩ অনুযায়ী দাপ্তরিক পদ বা অফিশিয়াল অবস্থান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির সংঘটিত অপরাধ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার বিবেচ্য হিসাবে পরিগণিত হবে না। এমনকি এ ব্যাপারে জাতীয় আইনের অধীনে সংশ্লিষ্ট দেশের সামরিক আইনে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের জন্য তা প্রযোজ্য হবে না।’

 

মন্তব্য (০)





image

শাহজালালে যাত্রী হয়রানি: বিমানের ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত, অধর...

১

নিউজ ডেস্ক : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়...

image

৪৫৯২ জনবল নিয়ে যাত্রা সাইবার পুলিশ ইউনিটের

২

নিউজ ডেস্ক : সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় ৪ হাজার ৫৯২ জনবল নিয়ে এক...

image

মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব ...

৩

নিউজ ডেস্ক : ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্প...

image

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

৪

নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যক...

image

গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তথ্য পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে স্বরাষ্ট্র মন...

৫

নিউজ ডেস্ক : প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সচিবালয়ের নিরা...

  • company_logo