• রাজনীতি

ডাকসুতে জিতলেই যে জাতীয় রাজনীতিতে বিরাট কিছু করবে তা নয়: মান্না

  • রাজনীতি

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক : ডাকসু নির্বাচন জাতীয় ভোটের প্রতিফলন না বলে মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, এই ভোট (ডাকসু নির্বাচন) জাতীয় নির্বাচনে প্রতিফলন করবে না। আমি দুবার ডাকসুর ভিপি হয়েছি। খুব পপুলার ছিলাম ছাত্রদের মধ্যে। কিন্তু আমার পলিটিক্যাল পার্টি হয়নি। আমি তো ক্ষমতায় যাইনি। আমার পার্টি তো ক্ষমতায় যেতে পারেনি। ডাকসুতে জিতলেই যে তারা জাতীয় রাজনীতিতে বিরাট কিছু করে ফেলবে সেরকম নয়। 

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ: সংস্কার বাস্তবায়নের পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মান্না।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, আমি তো দেখছি গুপ্ত রাজনীতি করে তারা (শিবির) সংগঠিত থেকেছে। ওরা আওয়ামী লীগের মধ্যে ঢুকেছে, ছাত্রলীগের মধ্যে ঢুকেছে, গালাগালি করছে, মামলা করছে, কিন্তু ওরা মনে করছে এভাবেই বেঁচে থেকে লড়াই করব। কারণ ওইখানে থাকবার পরে ফিরে আবার তার জায়গায় এসেছে এবং নির্বাচন করে জিতেছে। রাজনীতি একটা কঠিন সংগ্রামের বিষয়। রাজনীতি একটা বুদ্ধিবৃত্তির লড়াই। একেবারে হালকাভাবে নেওয়া যায় না।

জামায়াত-শিবিরকে উদ্দেশ্য করে মান্না বলেন, ভেবে দেখেন আজ থেকে ৩০-৫০ বছর আগে একটা রাজনৈতিক দল মাথা তুলবার মতো সাহস পেত না। তারা এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে আসছে এবং আমাদের চাইতে বড় যারা তাদের চ্যালেঞ্জ করছে।

নেপালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, জেন-জি ইতিহাস রচনা করে দিয়েছে। এই জেন-জি পুরো আফ্রিকাতে, ল্যাটিন আমেরিকাতে ইতিহাস তৈরি করেছে। উগান্ডাতে জেন-জির একটা বক্তব্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। তারা বলেছে, এই অপমানজনক জীবনযাপন করতে আমরা বিরক্ত। এবারে কিছু সাহস দেখাতে চাই।

মান্না বলেন, মিলিয়ে দেখেন, এই গেস্টরুম কালচার, বড় ভাইদের সালাম করা, প্রোটোকল দেওয়া, ভর্তি পরীক্ষা না হলেও তারপরে ভর্তি হতে পারবে, পরীক্ষা দিতে না দেওয়া- সব দেখে অপমানিত ছাত্রসমাজ। তারা মনে করেছে, এই জীবনের মধ্যে আমরা সাহস দেখাব।

তিনি বলেন, এই প্রজন্ম এক বছর পরে মনে করছে, এই দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতি আমরা দেখতে চাই না, এই যে মিথ্যাচার, এই যে এক বছর যেটা দেখলাম চাঁদাবাজি, দখলদারিত্বের রাজনীতি এবং ক্ষমতায় যাবার আগেই ক্ষমতায়িত হয়ে গেছে- এরকম হাবভাব করা, এই রাজনীতি দেখতে চাই না। অতএব তারা নতুন কিছু করতে চায়।

আলোচনা সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ডাকসু নির্বাচন থেকে, সমগ্র বাংলাদেশকে বিবেচনা করার কোনো কারণ নাই। এখানে ৪০ হাজার ভোটার, ৩০-৩২ হাজার ভোট দিয়েছেন, এটা সমুদ্রের মধ্যে একটা বিন্দু। কিন্তু এই বিন্দুরও একটা রাজনৈতিক অধিকার আছে, এটা নিশ্চয় বিবেচনার পথে আমরা রাখব। এ ধরনের আরো দুই-তিনটা বিশ্ববিদ্যালয় যদি একই ধরনের ফলাফল হয় তাতেও বিচলিত হবার কোনো কারণ নেই। সারা বাংলাদেশে ১২ কোটি ৬০ লাখ ভোটার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাষানী জনশক্তি পার্টির মুখপাত্র আবদুল কাদির, মহাসচিব আবু ইউসুফ সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আকবর খান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট সিরাজ মিয়া, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের মিডিয়া ও প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান প্রমুখ।

 

মন্তব্য (০)





image

যারা আগুন-বোমাবাজি করছে, তারা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের শত্র...

১

নিউজ ডেস্ক : কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ...

image

‘উমামা ফাতেমা বিমানবন্দরে আটক’ খবর নিয়ে যা জানা গেল

২

নিউজ ডেস্ক : ‘দেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়া পালানোর সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে...

image

শেখ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী

৩

নিউজ ডেস্ক : শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রে সায় দিচ্ছে দেশের গুপ্ত বা...

image

রাশেদ খানের পোস্ট: ছাত্রদল না থাকলে জামায়াত-শিবিরকে আবারও...

৪

নিউজ ডেস্ক : ছাত্রদল রাজপথে সক্রিয় না থাকলে ছাত্রলীগ জামায়াত...

image

‎সংসদে নোটিশ-কথার গুরুত্ব দেওয়া হয় না বলেই রাজপথে বিরোধ...

৫

নিউজ ডেস্কঃ বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমা...

  • company_logo