• লিড নিউজ
  • জাতীয়

দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সকল পথ চিরতরে বন্ধ করা হবে: রাষ্ট্রপতি ‎

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ বর্তমান বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সকল পথ চিরতরে বন্ধ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের আরেকটি পবিত্র দায়িত্ব, গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে আন্তরিকভাবে দাঁড়ানো। সরকার এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

‎রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‎রাষ্ট্রপতি বলেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো 'আয়নাঘর' থাকবে না। আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের, তা সে যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

‎তিনি আরও বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে—কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে—কিন্তু ভয়ের সংস্কৃতি থাকবে না। আইনশৃঙ্খলা থাকবে—কিন্তু আইনের নামে মানবাধিকার ও সুবিচার লঙ্ঘনের সুযোগ থাকবে না। রাষ্ট্রের ক্ষমতা থাকবে—কিন্তু সেই ক্ষমতার ওপর থাকবে সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণ।

‎রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন ও সাফল্য শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। বরং একটি রাষ্ট্র কতটা গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী, কতটা ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক এবং তার নাগরিক কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করে, সেটি একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত উন্নয়ন ও সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে। আর এমন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

‎গুম কোনো সাধারণ অপরাধ নয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। গুম শুধু একটা মানুষকে কেড়ে নেয় না। কেড়ে নেয় প্রিয়জনদের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন, অর্থনৈতিক-সামাজিক স্বস্তি। এ এক জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমাদের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা, আইনের সুরক্ষা ও মানবিক মর্যাদার নিশ্চয়তা দিয়েছে। গুম-খুনের মাধ্যমে কার্যত সেই অধিকারগুলোর সবকটিকেই একসঙ্গে ভুলুণ্ঠিত করা হয়।

‎বিগত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার পরিবারের মানুষদের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সুমনসহ অগণিত মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ব্যারিস্টার আরমান, আজমীসহ ভিন্নমতাবলম্বীদের অনেককে বছরের পর বছর ‘আয়নাঘরে’ বন্দি রাখা হয়। কেউ ফিরে এলেও, এখনও নিখোঁজ বহু মানুষ।

‎তিনি আরও বলেন, শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। যেসব পরিবার বছরের পর বছর প্রিয়জনের অপেক্ষায় সীমাহীন অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট ও মানসিক যন্ত্রণা বহন করেছে, তাদের মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে গ্রহণ করতে হবে।

মন্তব্য (০)





image

‎খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার খাতে আলজেরিয়ার সহযোগিতা...

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলজেরিয়া...

image

‎বাংলাদেশের জন্য আলজেরিয়ার জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের আহ্...

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চি...

image

এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

নিউজ ডেস্কঃ সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ...

image

পেট্রল অকটেন ডিজেলের দাম বাড়ল

নিউজ ডেস্ক : আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। এক লাফে ডিজেল, ক...

image

‘মাদক নির্মূলে শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে’

নিউজ ডেস্ক : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন...

  • company_logo