ফাইল ছবি
নিউজ ডেস্কঃ বন্ধ কারখানা চালু ও স্থবির অর্থনীতি চাঙ্গা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। এর মধ্যে নীতিসহায়তা ও প্রণোদনা পেতে ব্যাংক বা সরকারের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহারের নতুন শর্ত দেওয়ায় তৈরি হয়েছে বড় বাধা। উদ্যোক্তারা আশঙ্কা করছেন, আগাম মামলা প্রত্যাহার করে শেষ পর্যন্ত সুবিধা না পেলে ভুক্তভোগী গ্রাহকের হাতে আর কোনো আইনি সুরক্ষাকবচ থাকবে না।
চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১৫টি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন ও নিজস্ব তহবিলের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এর কিছুদিন পর খেলাপি ঋণ কমানোর লক্ষ্যে শিথিল শর্তে বিশেষ ‘এক্সিট পলিসি’ চালু করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। তবে গত ২৯ জুলাই জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, যেকোনো সুবিধা পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে গ্রাহককে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান রিট পিটিশনসহ সব মামলা হলফনামার মাধ্যমে প্রত্যাহার করতে হবে।
এই শর্ত আরোপের পর ব্যবসায়ীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘মামলা প্রত্যাহারের পর নীতিসহায়তা না মিললে উদ্যোক্তারা সরাসরি খেলাপিতে পরিণত হবেন। আমরা চাই ব্যাংক পর্ষদে নীতিসহায়তার ফাইল অনুমোদিত হওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকরের আগে মামলা প্রত্যাহারের কাগজ জমা নেওয়ার নিয়ম করা হোক।’
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনকে যৌক্তিক মনে করছেন ব্যাংক নির্বাহীরা। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন জানান, আদালতের মামলা ও নীতিসহায়তার আবেদন একসঙ্গে চলতে পারে না। মামলা প্রত্যাহার হলে আদালতে মামলাজট কমার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণও অনেকাংশে কমে আসবে।
ধীরগতির বিষয়টি স্বীকার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নীতিসহায়তা বাস্তবায়ন কিছুটা সময় নিচ্ছে। তবে কৃষিসহ গ্রামীণ অর্থনীতির প্যাকেজগুলোর গতি বেশ ভালো। উভয় পক্ষ সমঝোতার মানসিকতায় এগোলে খেলাপি ঋণ কমার পাশাপাশি অর্থনীতিতেও গতি ফিরবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, দেশে চলমান বেসরকারি বিনিয়োগ খরার মধ্যে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের জুনে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪.৪৭ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, জিডিপি-বেসরকারি বিনিয়োগ অনুপাতও কমে ২১.৫৩ শতাংশে ঠেকেছে। এমন মন্দা কাটাতে ঘোষিত এসব প্রণোদনা ও নীতিসহায়তা দ্রুত বাস্তবায়নে জটিলতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
নিউজ ডেস্কঃ সংসারের ছোটখাটো জরুরি খরচ; বিশেষ করে বিদ্যুৎ, গ্...
নিউজ ডেস্ক : একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে স্বর্...
নিউজ ডেস্ক : একদিনের ব্যবধানে দেশে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংল...
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পকে উচ্চ...
নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এম...

মন্তব্য (০)