ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে অবশেষে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেন নাটোরের ৮ জন এবং বগুড়ার ১ জনসহ মোট ৯ জন পরীক্ষার্থী।
ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ ও কারিগরি ভুলের কারণে গতকাল প্রথম দিনের পরীক্ষায় বসতে না পারা এই শিক্ষার্থীরা আগামীকাল শনিবার থেকে নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
এদিকে, নাটোরের লালপুরে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের জন্য টাকা জমা দেওয়ার পরও গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করায় তাদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। গতকাল বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরপরই বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসে।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরীর সাথে কথা বলেন এবং বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
মন্ত্রীর নির্দেশে আজ শুক্রবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড বিশেষ ব্যবস্থায় ওই ৮ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। ফলে আগামীকাল শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরবর্তী সব পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। মন্ত্রী বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
অর্থ আত্মসাতের এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে শিক্ষামন্ত্রী নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক এবং লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের সাথে টেলিফোনে কথা বলেন। মন্ত্রীর নির্দেশনার পর পুলিশ অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করেও কলেজ কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুলের কারণে গতকাল পরীক্ষা দিতে না পারা আরেকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ মন্ত্রীর কাছে পৌঁছায়। শিক্ষামন্ত্রী তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে ফোনে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। মন্ত্রীর নির্দেশে আজ ওই শিক্ষার্থীরও ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনিও আগামীকাল থেকে নিয়মিতভাবে পরীক্ষায় বসছেন।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কা...
নিউজ ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (...
নিউজ ডেস্ক : নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিশ...
পবিপ্রবি প্রতিনিধি : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্...
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের গ...

মন্তব্য (০)