• লিড নিউজ
  • আন্তর্জাতিক

ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন সেনার সংখ্যা কত, তারা কেন সেখানে অবস্থান করছে?

  • Lead News
  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে আমেরিকান সেনার সংখ্যা ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। 

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত জার্মানিতে ৩৬ হাজার ৪৩৬ জন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা নিয়োজিত ছিলেন, যা জাপানের পর বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা সর্বোচ্চ মার্কিন সেনা উপস্থিতি। তবে এই ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারের পর তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হবে নাকি অন্য কোথাও মোতায়েন করা হবে, সে বিষয়ে পেন্টাগন এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। 

এমনকি চলতি বছরের শেষ দিকে দেশটিতে যে লং-রেঞ্জ ফায়ার ব্যাটালিয়ন বা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন করার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে জার্মানি একটি বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে।

অতীতে তাকালে দেখা যায়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া যখন ইউক্রেন আক্রমণ করে, তার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জার্মানিতে অতিরিক্ত ৭ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছিলেন। তবে জার্মানিতে মার্কিন সেনার এই উপস্থিতি স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সেই সময় পশ্চিম জার্মানিতে প্রায় আড়াই লাখ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। স্নায়ুযুদ্ধের পর এই সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে।

জার্মানি ছাড়াও ইউরোপের অন্যান্য দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। এর মধ্যে ইতালিতে রয়েছে ১২ হাজারেরও বেশি এবং যুক্তরাজ্যে রয়েছে ১০ হাজারেরও কিছু বেশি মার্কিন সেনা। এছাড়া স্পেনে প্রায় ৪ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকলেও, বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। কারণ স্পেন সরকার ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে তাদের দেশের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের পাশাপাশি ইউরোপে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলাতেও সবসময় বড় ভূমিকা রেখে এসেছে। ইউরোপীয় দেশগুলো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান ও নৌ ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর মধ্যে জার্মানির রামস্টেইন বিমান ঘাঁটি, যুক্তরাজ্যের আরএএফ লাকেনহিথ ও আরএএফ মিল্ডেনহল, ইতালির এভিয়ানো এবং পর্তুগিজ আজোরেসের লাজেস ফিল্ড অন্যতম। 

এছাড়াও জার্মানির স্টুটগার্টে রয়েছে মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড এবং আফ্রিকা কমান্ডের মূল সদর দফতর। একই সাথে ইতালির নেপলস এবং সিগোনেলায় মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি বড় ঘাঁটি রয়েছে, যা ইউরোপ জুড়ে মার্কিন সামরিক আধিপত্য বজায় রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: সিএনএন।

মন্তব্য (০)





image

ইরান এখনো ‘যথেষ্ট বড় মূল্য’ দেয়নি: ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাম্প্রতিক শান্ত...

image

লেবাননের চিকিৎসা ব্যবস্থা যেভাবে ধ্বংস করছে ইসরাইল

নিউজ ডেস্ক : দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী পরিকল্পিতভাবে জীবন রক্ষাকারী ...

image

আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ইরানের নোবেলজয়ী নার্গিস...

নিউজ ডেস্ক : কারাগারে থাকা ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মানবাধিকার...

image

হজে বয়সসীমা নিয়ে নতুন ঘোষণা দিল সৌদি

নিউজ ডেস্ক : সৌদি আরব হজ পালনের ক্ষেত্রে সম্প্রতি আরোপ করা ১...

image

সামরিক হুমকির মুখেও সচল মার্কিন-ইরান কূটনৈতিক আলোচনা

নিউজ ডেস্ক : রোমানিয়ান সামরিক বিশ্লেষক এবং সামুদ্রিক বিশেষজ্...

  • company_logo