ছবিঃ সিএনআই
কক্সবাজার প্রতিনিধি : মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) জন্য বাংলাদেশ থেকে চোরাই পথে পাচার হচ্ছে সিমেন্ট। কক্সবাজারের ক্যাম্প ভিত্তিক রোহিঙ্গা পাচারকারী একাধিক চক্র এসব অপকর্মে জড়িত। আর এমন একটি চক্রের সন্ধান এবং চক্র প্রধানকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড ও র্যাব। (২৭ এপ্রিল) সোমবার
মিয়ানমারে পাচারকালে ৯ শ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করেছে। এ সময় কোস্ট গার্ড ও র্যাব-১৫ "র যৌথ অভিযান চালিয়ে পাচারকারী চক্র প্রধান
মোহাম্মদ আজিম উল্লাহসহ মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সেন্টমার্টিনের উত্তর-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায় গত ( ২৭ এপ্রিল) সোমবার ভোর ৪ টায় বিসিজি সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক ১টি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহনকৃত ৯০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করে। যার মূল্য প্রায় ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এসময় পাচার কাজে ব্যবহৃত বোটসহ ১৩ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়। পরে
আটক বোট মাঝি চাঁন মিয়ার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একইদিনে বিকাল ৫ টায় কোস্ট গার্ড ও র্যাব-১৫ (সিপিসি-২) এর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী সংলগ্ন এলাকা হতে মিয়ানমারে পণ্য পাচারের একটি চক্রের প্রধান মোহাম্মদ আজিম উল্লাহ (৪০) কে আটক করা হয়। সে কক্সবাজারের উখিয়া, বালুখালীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারের সাথে জড়িত। সে মায়ানমারে অবস্থানকারী আনোয়ার নামক ব্যক্তির থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা গ্রহণ করে চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ ও হাতিয়া এলাকার বিভিন্ন অসাধু বোট মালিকের সহযোগিতায় বোটযোগে এ সকল পণ্য মিয়ানমারের নিষিদ্ধ সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মির’ নিকট পাচার করে আসছিল।
টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আরাফাত হোসেন, (এক্স), বিএন, জানান,, পাচারের বিনিময়ে মোহাম্মদ আজিম উল্লাহ গং প্রায়শই মাদক, বিদেশী সিগারেটসহ অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে এনে বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে থাকে।
এদিকে আজিম উল্লাহ"র মুঠোফোন পর্যালোচনা করে এ সকল পাচারকাজের মাধ্যমে প্রাপ্ত কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের প্রমান পাওয়া গিয়েছে।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির পর কোস্ট গার্ড ও র্যাবের সমন্বিত অভিযানে এই পাচার সিন্ডিকেটের অন্যতম মূলহোতা মোঃ আজিম উল্লাহকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। এ চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জব্দকৃত সিমেন্ট, পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট ও আটককৃত পাচারকারীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পাচার ও চোরাচালান রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া শহরের জামিলনগর জান-ই সাবা হাউজিং কমপ...
মাগুরা প্রতিনিধি : “সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বা...
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় টেকসই কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস...
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী শহরের জলেশ্...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের...

মন্তব্য (০)