• লিড নিউজ
  • জাতীয়

‎ব্যাংকে না থাকলেও ফুটপাতে বেশি দামে মিলছে নতুন নোট ‎

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ ব্যাংকে নেই, তবে ফুটপাতে প্রতিদিনই বসছে নতুন নোটের দোকান। প্রতিনিয়তই আসছে নতুন নতুন নোট। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নোট সরবরাহ বন্ধ ঘোষণার পর কালোবাজারে দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, চাহিদার তুলনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতা না থাকায় হয়েছে সরবরাহ সংকট।

‎প্রতিবছর ঈদ এলেই বাড়ে নতুন টাকার চাহিদা। যে কারণে ঈদ ঘিরে বাজারে ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটির নতুন নোট সরবরাহ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আহসান মনসুরের গভর্নর বন্ধ করে দেন সরবরাহ ব্যবস্থা। যা এবারও বহাল রেখেছেন মোস্তাকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

‎কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলছেন, সক্ষমতার চেয়ে চাহিদা বেশি আর কাগজ সংকটে তৈরি হয়েছে এমন পরিস্থিতি।

‎বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আমরা কাগজ, কালি এবং সিকিউরিটি থ্রেট সংগ্রহ করি, এগুলোর খুব বেশি প্রতিষ্ঠান পৃথিবীতে নেই। মুষ্টিময় কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, তাদের কাছ থেকে যে পরিমাণ সাপ্লাই আমাদের দরকার, সে পরিমাণ সাপ্লাই পাচ্ছি না।’

‎মুখপাত্র যখন এমন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনও বাংলাদেশ ব্যাংকের গেইটের ৫০ গজের মধ্যেই দেদারছে বিক্রি হচ্ছে নতুন নোট। গত বছেরর চেয়ে এবার বিক্রেতার সংখ্যাও কয়েকগুন বেশি। রাজধানীর গুলিস্তানেও প্রতিবছরের মতো নতুন নোট সাজিয়ে বসেছেন অর্ধশতাধিক দোকানী।

‎তবে এবার নতুন নোট সংগ্রহ করতে এসে খালি হাতে ফিরছেন অনেকেই। পেছনের কারণ হিসেবে বলছেন, উচ্চমূল্যের কথা। তবে ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে বাড়তি দামেও কিনছেন কেউ কেউ।

‎নতুন নোট ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘৫০ টাকার নোটের ৫০০ টাকার নিয়েছি। ওইটা হাজারে ১০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে।’

‎বছরের ব্যবধানে নতুন নোটের মূল্যের এত তফাত কেন? বিক্রেতার সহজ জবাব, কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে। বিক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘এভেলেবেল বান্ডিল পাচ্ছি না। বান্ডিলের অভাব। দামি বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে।’

‎অভিযোগ উঠেছে কালোবাজারে নতুন নোট সরবরাহে জড়িত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটা অংশ। মুখপাত্র বলছেন, এর পেছনে যারাই জড়িত তদন্ত করে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।

‎আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘এ কালচারের সঙ্গে যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লোকজনও জড়িত থাকে, অবশ্যই তারাও পানিশেবল অফেন্স করেছে বলে গণ্য করা হবে। সে বিষয়গুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও দেখবে। কিন্তু আমাদের ঠিক কম্পাউন্ডের বাইরে বা কমপ্লেক্সের বাইরে যে ঘটনাগুলো ঘটে সেগুলো ওপর আসলে আমাদের তেমন নজরদারি করার সুযোগ তাকে না।’

‎সাধারণ মানুষ কালোবাজারে নয়, নতুন নোট সংগ্রহ করতে চান ব্যাংক থেকে, সেই চাহিদা পূরণ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমনটিই প্রত্যাশা ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে চাওয়া মানুষের।

মন্তব্য (০)





image

ইতালি বিমানবন্দরে আটকা ঢাকাগামী বিমান, ভেতরে আড়াই শতাধিক ...

নিউজ ডেস্ক : প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ইতালির রোমের একটি বিম...

image

ছুটির দিনেও বৈঠকে বসে এক কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিল...

নিউজ ডেস্ক : সরকার দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির...

image

চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক : একদিনের সফরে রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম আসছেন প...

image

কিসের হাসিনা! মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়: স্বরা...

নিউজ ডেস্ক : ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্...

image

‎কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে?

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের মানুষ কখনও আওয়ামী লীগের রাজনীতি গ্রহণ...

  • company_logo